০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

মার্কিন সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী সুরক্ষায় শিথিলতার চাপ—ঝুঁকিতে তিমি-সিলে

আইন পরিবর্তনের পক্ষ-বিপক্ষ
রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী সুরক্ষা আইন ঢিলে করতে চাইছেন। যুক্তি—মৎস্যশিল্প ও উপকূলীয় অর্থনীতির ওপর বিধিনিষেধের চাপ কমাতে হবে এবং ‘হালনাগাদ বিজ্ঞান’ প্রতিফলিত করতে হবে। সংরক্ষণবাদীদের পাল্টা বক্তব্য—কঠোর সীমা আরোপ করাই এই আইনের শক্তি; সেটিই নিরাপদ জাল, জাহাজের গতি সীমা ও শিল্প কর্মকাণ্ডের নজরদারিকে বাধ্যতামূলক করেছে।

কেন এটি বড় লড়াই
এই আইনই উত্তর আটলান্টিক রাইট হোয়েলসহ বহু প্রজাতির সুরক্ষার ভিত্তি। গবেষকেরা সতর্ক করেছেন—উষ্ণ সমুদ্রে খাদ্য ও রুট পরিবর্তনের সঙ্গে জাহাজের ধাক্কা ও জালে পেঁচিয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে। নিয়ম শিথিল হলে অর্জিত সাফল্য থমকে যেতে পারে। শিল্পমহল বলছে, রোপলেস পট ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মতো প্রযুক্তি সার্বিক নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই ঝুঁকি কমাতে পারে। সিদ্ধান্তটি শুধু উপকূলীয় চাকরি বনাম জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য নয়; উষ্ণায়নের যুগে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার মানদণ্ডও নির্ধারণ করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

মার্কিন সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী সুরক্ষায় শিথিলতার চাপ—ঝুঁকিতে তিমি-সিলে

০৩:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

আইন পরিবর্তনের পক্ষ-বিপক্ষ
রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী সুরক্ষা আইন ঢিলে করতে চাইছেন। যুক্তি—মৎস্যশিল্প ও উপকূলীয় অর্থনীতির ওপর বিধিনিষেধের চাপ কমাতে হবে এবং ‘হালনাগাদ বিজ্ঞান’ প্রতিফলিত করতে হবে। সংরক্ষণবাদীদের পাল্টা বক্তব্য—কঠোর সীমা আরোপ করাই এই আইনের শক্তি; সেটিই নিরাপদ জাল, জাহাজের গতি সীমা ও শিল্প কর্মকাণ্ডের নজরদারিকে বাধ্যতামূলক করেছে।

কেন এটি বড় লড়াই
এই আইনই উত্তর আটলান্টিক রাইট হোয়েলসহ বহু প্রজাতির সুরক্ষার ভিত্তি। গবেষকেরা সতর্ক করেছেন—উষ্ণ সমুদ্রে খাদ্য ও রুট পরিবর্তনের সঙ্গে জাহাজের ধাক্কা ও জালে পেঁচিয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে। নিয়ম শিথিল হলে অর্জিত সাফল্য থমকে যেতে পারে। শিল্পমহল বলছে, রোপলেস পট ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মতো প্রযুক্তি সার্বিক নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই ঝুঁকি কমাতে পারে। সিদ্ধান্তটি শুধু উপকূলীয় চাকরি বনাম জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য নয়; উষ্ণায়নের যুগে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার মানদণ্ডও নির্ধারণ করবে।