০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

মিয়ানমারে বিমান হামলায় বাণিজ্যকেন্দ্রে মৃত্যু ২৫-এর বেশি, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলের মাগওয়ে অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সংযোগস্থলে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ২৫ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২০ জন। স্থানীয় প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও স্বাধীন অনলাইন মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে যে ধারাবাহিক বিমান হামলা চলছে, এটি তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

সকালেই পরপর দুই দফা হামলা

রবিবার সকালে মিনদোন শহরের পশ্চিমে পিয়াউং গ্রামের কাছে এই হামলা হয়। থায়েত জেলার ৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের মুখপাত্র কো মিয়াত জানান, দুটি যুদ্ধবিমান সড়কের পাশে একটি বাণিজ্যকেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করে। ওই স্থানে স্থানীয় বাসিন্দা ও ট্রাকচালকেরা পণ্য ওঠানামা ও বিনিময় করতেন।

Myanmar: 28 civilians killed in military air strike – new investigation and witness testimony - Amnesty International

হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে দু’জন নারীও রয়েছেন। বিস্ফোরণে প্রায় ১৪টি যানবাহন পুড়ে যায় বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপ ও আতঙ্ক।

চলমান সংঘাতের রক্তাক্ত অধ্যায়

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই মিয়ানমার গভীর অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কঠোর দমনপীড়নের মুখে পড়লে বহু গণতন্ত্রপন্থী নাগরিক অস্ত্র তুলে নেন। বর্তমানে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল সংঘাতে জড়িয়ে আছে।

সাম্প্রতিক সময়ে রাখাইন রাজ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর সামরিক বাহিনী বাণিজ্যপথে কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। গত মঙ্গলবার রাখাইনের পন্নাগিউন শহরের একটি গ্রামবাজারে বিমান হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

Myanmar military airstrikes on trading site kills more than two dozen | WBAL Baltimore News

বেসামরিক মানুষের বাড়ছে ঝুঁকি

বিশ্লেষকদের মতে, সশস্ত্র গণতন্ত্রপন্থী গোষ্ঠী ও জাতিগত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে বিমান হামলা বাড়ানো হয়েছে। তবে এসব হামলায় বারবার বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হচ্ছে।

এই সাম্প্রতিক হামলা মিয়ানমারের চলমান সংকটকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

Myanmar military airstrikes on trading site kills more than two dozen | ABC27

 

Civilians killed in Myanmar military strike

 

Children among 8 dead in Myanmar military air strike

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

মিয়ানমারে বিমান হামলায় বাণিজ্যকেন্দ্রে মৃত্যু ২৫-এর বেশি, বাড়ছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ

০৩:২৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলের মাগওয়ে অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সংযোগস্থলে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ২৫ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২০ জন। স্থানীয় প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও স্বাধীন অনলাইন মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে যে ধারাবাহিক বিমান হামলা চলছে, এটি তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

সকালেই পরপর দুই দফা হামলা

রবিবার সকালে মিনদোন শহরের পশ্চিমে পিয়াউং গ্রামের কাছে এই হামলা হয়। থায়েত জেলার ৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের মুখপাত্র কো মিয়াত জানান, দুটি যুদ্ধবিমান সড়কের পাশে একটি বাণিজ্যকেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করে। ওই স্থানে স্থানীয় বাসিন্দা ও ট্রাকচালকেরা পণ্য ওঠানামা ও বিনিময় করতেন।

Myanmar: 28 civilians killed in military air strike – new investigation and witness testimony - Amnesty International

হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে দু’জন নারীও রয়েছেন। বিস্ফোরণে প্রায় ১৪টি যানবাহন পুড়ে যায় বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপ ও আতঙ্ক।

চলমান সংঘাতের রক্তাক্ত অধ্যায়

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই মিয়ানমার গভীর অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কঠোর দমনপীড়নের মুখে পড়লে বহু গণতন্ত্রপন্থী নাগরিক অস্ত্র তুলে নেন। বর্তমানে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল সংঘাতে জড়িয়ে আছে।

সাম্প্রতিক সময়ে রাখাইন রাজ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর সামরিক বাহিনী বাণিজ্যপথে কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। গত মঙ্গলবার রাখাইনের পন্নাগিউন শহরের একটি গ্রামবাজারে বিমান হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

Myanmar military airstrikes on trading site kills more than two dozen | WBAL Baltimore News

বেসামরিক মানুষের বাড়ছে ঝুঁকি

বিশ্লেষকদের মতে, সশস্ত্র গণতন্ত্রপন্থী গোষ্ঠী ও জাতিগত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে বিমান হামলা বাড়ানো হয়েছে। তবে এসব হামলায় বারবার বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হচ্ছে।

এই সাম্প্রতিক হামলা মিয়ানমারের চলমান সংকটকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

Myanmar military airstrikes on trading site kills more than two dozen | ABC27

 

Civilians killed in Myanmar military strike

 

Children among 8 dead in Myanmar military air strike