০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

মেকং নদী দূষণ সংকটে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

উত্তর থাইল্যান্ডের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো মেকং নদী কমিশন (MRC)-কে জানিয়েছেন যে মেকংসহ কক, সাই এবং রুয়াক নদীতে পাওয়া দূষণ এখন এক জরুরি পরিস্থিতি। তারা নদী অববাহিকা জুড়ে পানি–মান পর্যবেক্ষণ জোরদারেরও দাবি জানায়।

মেকং কমিশনের বৈঠক

চিয়াং রাই প্রদেশে অনুষ্ঠিত হয় এমআরসি কাউন্সিলের ৩২তম সভা। সংস্কৃতি মন্ত্রী সাবিদা থাইসেড সভায় সভাপতিত্ব করেন। লাওস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের প্রতিনিধিরা সরাসরি এবং অনলাইনে বৈঠকে যোগ দেন।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সহকারী রাচাদা থানাদিরেক এবং জাতীয় জলসম্পদ দপ্তরের উপমহাসচিব পাচারি সুভান্নিক।

Along the Mekong, fishers and farmers battle a plastics catastrophe – Radio Free Asia

বৈঠকের আগে আবেদনে উঠে আসে গুরুতর অভিযোগ

বৈঠকের আগে কক, সাই, রুয়াক এবং মেকং নদী রক্ষা নেটওয়ার্ক—শিক্ষাবিদ এবং পরিবেশকর্মীদের সঙ্গে—রাচাদার কাছে একটি আবেদন জমা দেয়।

তাদের অভিযোগ, এসব নদীতে বিষাক্ত দূষণ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তা মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ অত্যাবশ্যক।

মিয়ানমারের অবৈধ খননকেই দায়ী করা হয়েছে

আবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বড় হুমকি এসেছে মিয়ানমারের শান রাজ্যের উজানে অবৈধ খনন কার্যক্রম থেকে ছড়িয়ে পড়া সীমান্ত–অতিক্রমী দূষণ থেকে।

চিয়াং মাই ও চিয়াং রাইয়ের কক, সাই ও রুয়াক নদীতে পাওয়া ভারী ধাতুর মাত্রা থাই মান ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার চেয়ে অনেক বেশি।

এ দূষিত পানি নিম্নধারায় মেকং নদীর বিভিন্ন অংশে পৌঁছায়, যেমন—

• লাওসের বোকেও প্রদেশের বিপরীত তীর
• নং খাই ও লই প্রদেশ (ভিয়েনতিয়েনের বিপরীত তীর)
• বুয়েং কান (বোলিখামসাইয়ের বিপরীতে)
• নাখোন ফানম (খাম্মুয়ানের বিপরীতে)

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে উজানে শতাধিক রেয়ার–আর্থ, স্বর্ণ, ম্যাঙ্গানিজসহ বিভিন্ন খনিজের খনি রয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই পরিবেশগত নিরাপত্তা ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে।

Bangkok Post - North pushes Mekong pollution plan

প্রবাহে ভেসে আসছে বিষাক্ত ধাতু

উজানের এসব খনি থেকে ভারী ধাতু ও বিষাক্ত পদার্থ নিম্নদিকে নদীতে মিশে আসছে।

নেটওয়ার্কটি অভিযোগ করে যে এমআরসি–র পাঁচ–বছরের খসড়া কৌশল পরিকল্পনায় এই নতুন ও ভয়াবহ পরিস্থিতির প্রতিফলন নেই, যদিও উজানের নিয়ন্ত্রণহীন খনন এখন মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

কৌশলগত লক্ষ্য শক্তিশালী করার আহ্বান

নাগরিক সমাজ এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এমআরসিকে কৌশলগত লক্ষ্য ২—তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস ক্ষমতা—জোরদার করার আহ্বান জানায়।

এছাড়া কৌশলগত লক্ষ্য ৩—নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা পরিচালনা—কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি তোলে, কারণ সমন্বিত দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

# নদী_দূষণ মেকং_নদী থাইল্যান্ড পরিবেশ অবৈধ_খনন সীমান্ত_দূষণ এমআরসি

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

মেকং নদী দূষণ সংকটে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

০১:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

উত্তর থাইল্যান্ডের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো মেকং নদী কমিশন (MRC)-কে জানিয়েছেন যে মেকংসহ কক, সাই এবং রুয়াক নদীতে পাওয়া দূষণ এখন এক জরুরি পরিস্থিতি। তারা নদী অববাহিকা জুড়ে পানি–মান পর্যবেক্ষণ জোরদারেরও দাবি জানায়।

মেকং কমিশনের বৈঠক

চিয়াং রাই প্রদেশে অনুষ্ঠিত হয় এমআরসি কাউন্সিলের ৩২তম সভা। সংস্কৃতি মন্ত্রী সাবিদা থাইসেড সভায় সভাপতিত্ব করেন। লাওস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের প্রতিনিধিরা সরাসরি এবং অনলাইনে বৈঠকে যোগ দেন।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সহকারী রাচাদা থানাদিরেক এবং জাতীয় জলসম্পদ দপ্তরের উপমহাসচিব পাচারি সুভান্নিক।

Along the Mekong, fishers and farmers battle a plastics catastrophe – Radio Free Asia

বৈঠকের আগে আবেদনে উঠে আসে গুরুতর অভিযোগ

বৈঠকের আগে কক, সাই, রুয়াক এবং মেকং নদী রক্ষা নেটওয়ার্ক—শিক্ষাবিদ এবং পরিবেশকর্মীদের সঙ্গে—রাচাদার কাছে একটি আবেদন জমা দেয়।

তাদের অভিযোগ, এসব নদীতে বিষাক্ত দূষণ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তা মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ অত্যাবশ্যক।

মিয়ানমারের অবৈধ খননকেই দায়ী করা হয়েছে

আবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বড় হুমকি এসেছে মিয়ানমারের শান রাজ্যের উজানে অবৈধ খনন কার্যক্রম থেকে ছড়িয়ে পড়া সীমান্ত–অতিক্রমী দূষণ থেকে।

চিয়াং মাই ও চিয়াং রাইয়ের কক, সাই ও রুয়াক নদীতে পাওয়া ভারী ধাতুর মাত্রা থাই মান ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার চেয়ে অনেক বেশি।

এ দূষিত পানি নিম্নধারায় মেকং নদীর বিভিন্ন অংশে পৌঁছায়, যেমন—

• লাওসের বোকেও প্রদেশের বিপরীত তীর
• নং খাই ও লই প্রদেশ (ভিয়েনতিয়েনের বিপরীত তীর)
• বুয়েং কান (বোলিখামসাইয়ের বিপরীতে)
• নাখোন ফানম (খাম্মুয়ানের বিপরীতে)

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে উজানে শতাধিক রেয়ার–আর্থ, স্বর্ণ, ম্যাঙ্গানিজসহ বিভিন্ন খনিজের খনি রয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই পরিবেশগত নিরাপত্তা ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে।

Bangkok Post - North pushes Mekong pollution plan

প্রবাহে ভেসে আসছে বিষাক্ত ধাতু

উজানের এসব খনি থেকে ভারী ধাতু ও বিষাক্ত পদার্থ নিম্নদিকে নদীতে মিশে আসছে।

নেটওয়ার্কটি অভিযোগ করে যে এমআরসি–র পাঁচ–বছরের খসড়া কৌশল পরিকল্পনায় এই নতুন ও ভয়াবহ পরিস্থিতির প্রতিফলন নেই, যদিও উজানের নিয়ন্ত্রণহীন খনন এখন মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

কৌশলগত লক্ষ্য শক্তিশালী করার আহ্বান

নাগরিক সমাজ এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এমআরসিকে কৌশলগত লক্ষ্য ২—তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস ক্ষমতা—জোরদার করার আহ্বান জানায়।

এছাড়া কৌশলগত লক্ষ্য ৩—নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা পরিচালনা—কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি তোলে, কারণ সমন্বিত দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

# নদী_দূষণ মেকং_নদী থাইল্যান্ড পরিবেশ অবৈধ_খনন সীমান্ত_দূষণ এমআরসি