০৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হিমালয় বদলে গেছে, এবার নেপালকেও বদলাতে হবে দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই বিরামপুর সীমান্তে ১২ থেকে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটল বিএসএফ নতুন ছাঁটে চমকে দিলেন কনর স্টোরি, ক্রিয়েটিভ আর্টস এমিসে আত্মপ্রকাশ ‘বাজকাট’ লুকে জঙ্গলে মিলল নিখোঁজ যুবকের কঙ্কাল, পোশাক দেখে শনাক্ত করলেন বাবা কৃষিকে বদলে দিতে বিশ্বব্যাংকের ‘এগ্রিকানেক্ট’, লক্ষ্য ৩০ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র, তদন্ত চান রিজভী শরতের ফ্যাশনে জেন বারকিনের পুরোনো ছবিই আজকের নতুন অনুপ্রেরণা শরতের সাজে সুয়েড জ্যাকেট, ৬ দারুণ স্টাইলিং আইডিয়া সিয়ারা মা হচ্ছেন পঞ্চমবার, রাসেল উইলসনের সঙ্গে আসছে নতুন অতিথি

যারা সার্কের ঐক্য চায় না, শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বললে সন্দেহ থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর আঞ্চলিক ঐক্যকে পাশ কাটিয়ে কেবল দুই দেশের মধ্যে ঐক্যের কথা বলা হলে তা সন্দেহের চোখে দেখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তার মতে, সার্কভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে সীমিত পরিসরের ঐক্যের ধারণা সামনে আনা হলে তার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ‘জুলাই সনদের বাস্তবায়ন’ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রসঙ্গ

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে একসঙ্গে বিবেচনা করে বিভিন্ন ধরনের ঐক্যের ধারণা তুলে ধরা হলেও দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর বাস্তবতা ভুলে গেলে চলবে না। তিনি উল্লেখ করেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মোট জনসংখ্যা ২২০ কোটিরও বেশি।

তার ভাষায়, যারা সত্যিকার অর্থে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সংহতি চান, তারা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জনগোষ্ঠীর কথা বলবেন। কিন্তু যদি কেউ শুধু দুটি দেশের ঐক্যের বিষয়টিকেই সামনে আনেন এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক কাঠামোকে উপেক্ষা করেন, তাহলে সেই অবস্থানকে সন্দেহের চোখে দেখার কারণ রয়েছে।

জাতিসংঘ ও সার্কের বাইরে নতুন কাঠামো নিয়ে সতর্কতা

আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন কাঠামোর অংশ। জাতিসংঘ ও সার্কের মতো প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফর্মের বাইরে কোনো নতুন রাজনৈতিক বা আঞ্চলিক কাঠামোর ধারণা সামনে এলে তা সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

তথ্যমন্ত্রীর মতে, আঞ্চলিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার প্রশ্নে স্বচ্ছতা এবং পারস্পরিক সম্মান গুরুত্বপূর্ণ। কোনো উদ্যোগের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট না হলে তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সংশয় তৈরি হতে পারে।

বাঙালি পরিচয় নিয়ে বক্তব্য

একই অনুষ্ঠানে বাঙালি পরিচয় নিয়েও কথা বলেন জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, বাঙালি পরিচয়ের জন্য সীমান্তের ওপারের কারও স্বীকৃতি বা সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই। ইতিহাসই বাঙালি পরিচয়ের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি এবং ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে সফল হয় না।

তিনি আরও বলেন, ভাষাগত মিল থাকলেও বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা ও মনোজগতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সেই বাস্তবতাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

ইতিহাস ও রাজনৈতিক বয়ান

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এখন জনমতের ভিত্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। কেউ কৃত্রিম বয়ান তৈরির চেষ্টা করলে তা নিয়ে আবেগ বা প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজন নেই। বরং ইতিহাসসম্মত এবং সত্যনির্ভর অবস্থানকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আলোচনা সভায় তার বক্তব্যে বাঙালি পরিচয়, ইতিহাসের ব্যাখ্যা, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা একসঙ্গে উঠে আসে।

দুই দেশের ঐক্য নিয়ে মন্তব্য

তথ্যমন্ত্রীর মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর ঐক্যকে উপেক্ষা করে শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বলা হলে তার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

দুই দেশের ঐক্য

সার্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও দুই দেশের ঐক্য নিয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের বক্তব্যে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হিমালয় বদলে গেছে, এবার নেপালকেও বদলাতে হবে

যারা সার্কের ঐক্য চায় না, শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বললে সন্দেহ থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

০৭:৫৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর আঞ্চলিক ঐক্যকে পাশ কাটিয়ে কেবল দুই দেশের মধ্যে ঐক্যের কথা বলা হলে তা সন্দেহের চোখে দেখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তার মতে, সার্কভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে সীমিত পরিসরের ঐক্যের ধারণা সামনে আনা হলে তার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ‘জুলাই সনদের বাস্তবায়ন’ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রসঙ্গ

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে একসঙ্গে বিবেচনা করে বিভিন্ন ধরনের ঐক্যের ধারণা তুলে ধরা হলেও দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর বাস্তবতা ভুলে গেলে চলবে না। তিনি উল্লেখ করেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মোট জনসংখ্যা ২২০ কোটিরও বেশি।

তার ভাষায়, যারা সত্যিকার অর্থে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সংহতি চান, তারা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জনগোষ্ঠীর কথা বলবেন। কিন্তু যদি কেউ শুধু দুটি দেশের ঐক্যের বিষয়টিকেই সামনে আনেন এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক কাঠামোকে উপেক্ষা করেন, তাহলে সেই অবস্থানকে সন্দেহের চোখে দেখার কারণ রয়েছে।

জাতিসংঘ ও সার্কের বাইরে নতুন কাঠামো নিয়ে সতর্কতা

আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন কাঠামোর অংশ। জাতিসংঘ ও সার্কের মতো প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফর্মের বাইরে কোনো নতুন রাজনৈতিক বা আঞ্চলিক কাঠামোর ধারণা সামনে এলে তা সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

তথ্যমন্ত্রীর মতে, আঞ্চলিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার প্রশ্নে স্বচ্ছতা এবং পারস্পরিক সম্মান গুরুত্বপূর্ণ। কোনো উদ্যোগের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট না হলে তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সংশয় তৈরি হতে পারে।

বাঙালি পরিচয় নিয়ে বক্তব্য

একই অনুষ্ঠানে বাঙালি পরিচয় নিয়েও কথা বলেন জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, বাঙালি পরিচয়ের জন্য সীমান্তের ওপারের কারও স্বীকৃতি বা সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই। ইতিহাসই বাঙালি পরিচয়ের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি এবং ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে সফল হয় না।

তিনি আরও বলেন, ভাষাগত মিল থাকলেও বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা ও মনোজগতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সেই বাস্তবতাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

ইতিহাস ও রাজনৈতিক বয়ান

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এখন জনমতের ভিত্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। কেউ কৃত্রিম বয়ান তৈরির চেষ্টা করলে তা নিয়ে আবেগ বা প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজন নেই। বরং ইতিহাসসম্মত এবং সত্যনির্ভর অবস্থানকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আলোচনা সভায় তার বক্তব্যে বাঙালি পরিচয়, ইতিহাসের ব্যাখ্যা, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা একসঙ্গে উঠে আসে।

দুই দেশের ঐক্য নিয়ে মন্তব্য

তথ্যমন্ত্রীর মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর ঐক্যকে উপেক্ষা করে শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বলা হলে তার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

দুই দেশের ঐক্য

সার্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও দুই দেশের ঐক্য নিয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের বক্তব্যে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।