০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২৮)

থানা চৌগ্রামের অন্তর্গত তাজপুর গ্রামে একটি প্রসিদ্ধ চতুষ্পাঠী ছিল। উহার অধ্যাপক শ্রীপতি বিদ্যালঙ্কার ছিলেন। এই চতুষ্পাঠী রক্ষা জন্য মহারাণী ভবানী বার্ষিক ৯০ টাকা দান করিতেন। শ্রীপতি বিদ্যালঙ্কারের মৃত্যুর পর, তাহার পুত্র চন্দ্রশেখর তর্কবাগীশ ঐ দান ভোগ করেন। আবার চন্দ্রশেখরের পরলোক গমনের পর, তাহার তিন পুত্র কাশীশ্বর বাচস্পতি, গোবিন্দরাম সিদ্ধান্ত এবং হররাম ভট্টাচার্য ঐ বৃত্তির উত্তরাধিকারী হন। ইহাদের বৃত্তি রহিত হইলে রেবিনিউ বোর্ডের অনুরোধ ক্রমে ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে বৃত্তি দিবার জন্য গবর্ণমেন্ট আদেশ করেন। কিন্তু এক্ষণে বৃত্তি রহিত হইয়া আছে।

প্রায় তিনশত বৎসর পূর্বে রাজসাহী জেলার অন্তর্গত আগদিঘার ভট্টাচার্য মহাশয়দের বংশে পণ্ডিতপ্রবর গদাধর ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন। বগুড়ার নিকট কোন একটি গ্রামে গদাধরের জন্ম হয়। ইনি রাজসাহী ত্যাগ করিয়া নবদ্বীপে বাস করেন। নবদ্বীপের বিখ্যাত পণ্ডিতপ্রবর ভুবনবিদ্যারত্ব গদাধরের বংশসম্ভূত। গদাধর ন্যায়শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তিবাদ ও শক্তিবাদ গ্রন্থ রচনা করেন। এই সকল গ্রন্থ বঙ্গদেশের ন্যায়শাস্ত্রের চতুষ্পাঠীতে আদরের সহিত প্রচলিত আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২৮)

০৪:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

থানা চৌগ্রামের অন্তর্গত তাজপুর গ্রামে একটি প্রসিদ্ধ চতুষ্পাঠী ছিল। উহার অধ্যাপক শ্রীপতি বিদ্যালঙ্কার ছিলেন। এই চতুষ্পাঠী রক্ষা জন্য মহারাণী ভবানী বার্ষিক ৯০ টাকা দান করিতেন। শ্রীপতি বিদ্যালঙ্কারের মৃত্যুর পর, তাহার পুত্র চন্দ্রশেখর তর্কবাগীশ ঐ দান ভোগ করেন। আবার চন্দ্রশেখরের পরলোক গমনের পর, তাহার তিন পুত্র কাশীশ্বর বাচস্পতি, গোবিন্দরাম সিদ্ধান্ত এবং হররাম ভট্টাচার্য ঐ বৃত্তির উত্তরাধিকারী হন। ইহাদের বৃত্তি রহিত হইলে রেবিনিউ বোর্ডের অনুরোধ ক্রমে ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে বৃত্তি দিবার জন্য গবর্ণমেন্ট আদেশ করেন। কিন্তু এক্ষণে বৃত্তি রহিত হইয়া আছে।

প্রায় তিনশত বৎসর পূর্বে রাজসাহী জেলার অন্তর্গত আগদিঘার ভট্টাচার্য মহাশয়দের বংশে পণ্ডিতপ্রবর গদাধর ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন। বগুড়ার নিকট কোন একটি গ্রামে গদাধরের জন্ম হয়। ইনি রাজসাহী ত্যাগ করিয়া নবদ্বীপে বাস করেন। নবদ্বীপের বিখ্যাত পণ্ডিতপ্রবর ভুবনবিদ্যারত্ব গদাধরের বংশসম্ভূত। গদাধর ন্যায়শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তিবাদ ও শক্তিবাদ গ্রন্থ রচনা করেন। এই সকল গ্রন্থ বঙ্গদেশের ন্যায়শাস্ত্রের চতুষ্পাঠীতে আদরের সহিত প্রচলিত আছে।