০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

রাতের জানালা তার সামনে গ্রামকে নিয়ে আসে

  • Sarakhon Report
  • ০৪:২৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
  • 134

শিবলী আহম্মেদ সুজন

ঢাকা শহরের মানুষ যখন রাতে ঘুমাচ্ছে। তখন নির্ঘুম চোখে জানালা দিয়ে আকাশের পানে তাঁকিয়ে মনে করছে ছেলেটি শৈশবের সেইদিনগুলোর কথা।স্কুলের বন্ধুদের সাথে দুষ্টুমি ও আড্ডা।বিকেলে মাঠে খেলতে যাওয়া। কতই না সুন্দর ছিল। ইস!আবার যদি ফিরে পাওয়া যেত সেদিনগুলি তাহলে কতই না ভালো হত।

সরকারী তিতুমীর কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র রাব্বী। ২২ বছর বয়সী। ২০২১ সালে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় সরকারি তিতুমীর কলেজে মার্কেটিং বিভাগে পড়ালেখা করার জন্য এসেছিল রাব্বী।

 সিরাজগঞ্জ সদরের মিরপুর গ্রামে বসবাস করত রাব্বী। পরিবারে তিন ভাই-বোনের মধ্য রাব্বী সবার বড়।গ্রাম থেকে ঢাকা শহরে আসাটা রাব্বীর জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। শুরুতে রাব্বীর বাবা-মা পরিবারের বড় ছেলেকে দূরে লেখাপড়া করার জন্য পাঠাতে রাজি না হলেও পরবর্তীতে ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা ঢাকা শহরে ছেলেকে পড়াশোনা করার জন্য পাঠিয়ে দেন।

ঢাকার শহরে আসবে লেখাপড়া করতে এই ভেবে রাব্বী মনে মনে খুব খুশি তো হয় কিন্তু ঢাকা শহরে টিকে থাকা যে কতটা কষ্টকর এটা হয়তো রাব্বীর জানা ছিল না। আর না জানাটাই স্বাভাবিক। রাব্বী লোকের মুখে শুনেছে ঢাকায় টাকা উড়ে। ঢাকার মানুষ অনেক সুন্দর জীবনযাপন করে।

এতোদিন রাব্বী ঢাকা নিয়ে যে চিন্তা-ভাবনা করত। ঢাকায় আসার পর তা যেন একনিমিষেই বদলে যায়। শহরের কোলাহল,যানযট,গাড়ির হর্ণের শব্দে রাব্বীর মনে হচ্ছিল এ কোন চিড়িয়াখানায় এসে আটকা পড়ে গেলাম।

ইট পাথরের নগরী ঢাকা।শহরের পরিবেশের সাথে রাব্বী মোটেও নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিল না।কারণ ঢাকা শহরের পরিবেশ ও গ্রামের পরিবেশ দুটোই আলাদা।গ্রাম গাছ-গাছালি দিয়ে ঘেরা।গ্রামে নেই কোন কোলাহল,নেই যানজট, নেই গাড়ির প্রচন্ড হর্ণের শব্দ।গ্রামের প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য দেখে যেন মন জুঁড়িয়ে যায়।

কাঁদিয়ানি মসজিদের পাশের বিল্ডিং এর ৫ তলার রুমের জানালা দিয়ে আকাশের পানে তাকিয়ে শৈশবের কথা ভাবতে গিয়ে কখন যে ভোর হয়ে গেছে রাব্বী বুঝতেই পারেনি।মসজিদে ফজরের আজানের আহ্বানে রাব্বীর ঘোর কেটেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

রাতের জানালা তার সামনে গ্রামকে নিয়ে আসে

০৪:২৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

শিবলী আহম্মেদ সুজন

ঢাকা শহরের মানুষ যখন রাতে ঘুমাচ্ছে। তখন নির্ঘুম চোখে জানালা দিয়ে আকাশের পানে তাঁকিয়ে মনে করছে ছেলেটি শৈশবের সেইদিনগুলোর কথা।স্কুলের বন্ধুদের সাথে দুষ্টুমি ও আড্ডা।বিকেলে মাঠে খেলতে যাওয়া। কতই না সুন্দর ছিল। ইস!আবার যদি ফিরে পাওয়া যেত সেদিনগুলি তাহলে কতই না ভালো হত।

সরকারী তিতুমীর কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র রাব্বী। ২২ বছর বয়সী। ২০২১ সালে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় সরকারি তিতুমীর কলেজে মার্কেটিং বিভাগে পড়ালেখা করার জন্য এসেছিল রাব্বী।

 সিরাজগঞ্জ সদরের মিরপুর গ্রামে বসবাস করত রাব্বী। পরিবারে তিন ভাই-বোনের মধ্য রাব্বী সবার বড়।গ্রাম থেকে ঢাকা শহরে আসাটা রাব্বীর জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। শুরুতে রাব্বীর বাবা-মা পরিবারের বড় ছেলেকে দূরে লেখাপড়া করার জন্য পাঠাতে রাজি না হলেও পরবর্তীতে ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা ঢাকা শহরে ছেলেকে পড়াশোনা করার জন্য পাঠিয়ে দেন।

ঢাকার শহরে আসবে লেখাপড়া করতে এই ভেবে রাব্বী মনে মনে খুব খুশি তো হয় কিন্তু ঢাকা শহরে টিকে থাকা যে কতটা কষ্টকর এটা হয়তো রাব্বীর জানা ছিল না। আর না জানাটাই স্বাভাবিক। রাব্বী লোকের মুখে শুনেছে ঢাকায় টাকা উড়ে। ঢাকার মানুষ অনেক সুন্দর জীবনযাপন করে।

এতোদিন রাব্বী ঢাকা নিয়ে যে চিন্তা-ভাবনা করত। ঢাকায় আসার পর তা যেন একনিমিষেই বদলে যায়। শহরের কোলাহল,যানযট,গাড়ির হর্ণের শব্দে রাব্বীর মনে হচ্ছিল এ কোন চিড়িয়াখানায় এসে আটকা পড়ে গেলাম।

ইট পাথরের নগরী ঢাকা।শহরের পরিবেশের সাথে রাব্বী মোটেও নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিল না।কারণ ঢাকা শহরের পরিবেশ ও গ্রামের পরিবেশ দুটোই আলাদা।গ্রাম গাছ-গাছালি দিয়ে ঘেরা।গ্রামে নেই কোন কোলাহল,নেই যানজট, নেই গাড়ির প্রচন্ড হর্ণের শব্দ।গ্রামের প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য দেখে যেন মন জুঁড়িয়ে যায়।

কাঁদিয়ানি মসজিদের পাশের বিল্ডিং এর ৫ তলার রুমের জানালা দিয়ে আকাশের পানে তাকিয়ে শৈশবের কথা ভাবতে গিয়ে কখন যে ভোর হয়ে গেছে রাব্বী বুঝতেই পারেনি।মসজিদে ফজরের আজানের আহ্বানে রাব্বীর ঘোর কেটেছে।