০৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হিমালয় বদলে গেছে, এবার নেপালকেও বদলাতে হবে দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই বিরামপুর সীমান্তে ১২ থেকে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটল বিএসএফ নতুন ছাঁটে চমকে দিলেন কনর স্টোরি, ক্রিয়েটিভ আর্টস এমিসে আত্মপ্রকাশ ‘বাজকাট’ লুকে জঙ্গলে মিলল নিখোঁজ যুবকের কঙ্কাল, পোশাক দেখে শনাক্ত করলেন বাবা কৃষিকে বদলে দিতে বিশ্বব্যাংকের ‘এগ্রিকানেক্ট’, লক্ষ্য ৩০ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র, তদন্ত চান রিজভী শরতের ফ্যাশনে জেন বারকিনের পুরোনো ছবিই আজকের নতুন অনুপ্রেরণা শরতের সাজে সুয়েড জ্যাকেট, ৬ দারুণ স্টাইলিং আইডিয়া সিয়ারা মা হচ্ছেন পঞ্চমবার, রাসেল উইলসনের সঙ্গে আসছে নতুন অতিথি

রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর: এখনো অসম্পূর্ণ বিচার, স্মৃতি যেন এখন “অস্বস্তি”

আগামী ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকী। ২০১৩ সালের সেই দিনে ঢাকার সাভারে ৯তলা ভবনটি ধসে পড়ে এক হাজার ১৩৬ জন পোশাক শ্রমিক মারা গিয়েছিলেন এবং দুই হাজার পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছিলেন। এটি ছিল বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনাগুলোর একটি। কিন্তু ১৩ বছর পরেও বিচার শেষ হয়নি এবং অনেক বেঁচে যাওয়া শ্রমিক আজও জীবিকা সংকটে রয়েছেন।

বিচার যেখানে আটকে আছে

ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ২০১৬ সালে ঢাকার একটি আদালতে শুরু হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ আট বছরেও বিচার নিষ্পত্তি হয়নি। ডেইলি স্টার লিখেছে, রানা প্লাজার কথা উঠলেই এখন অনেক মহলে “অস্বস্তি” তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বারবার বিচার ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

শ্রমিকদের জীবন এখনো সংগ্রামময়

রানা প্লাজার একটি কারখানায় কর্মরত শ্রমিক রোজিনা বেগম বলেন, ঘটনার পরে পোশাক খাতের কারখানায় নিরাপত্তা অনেকটা উন্নত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মজুরি এখনো অপ্রতুল। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে অনেক শ্রমিক এখনো প্রতিদিনের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষতিপূরণের প্রশ্নটি আজও নিষ্পত্তি হয়নি এবং শ্রম আইনে ক্ষতিপূরণের সীমা এখনো অপর্যাপ্ত।

জনপ্রিয় সংবাদ

হিমালয় বদলে গেছে, এবার নেপালকেও বদলাতে হবে

রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর: এখনো অসম্পূর্ণ বিচার, স্মৃতি যেন এখন “অস্বস্তি”

০৬:২২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আগামী ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকী। ২০১৩ সালের সেই দিনে ঢাকার সাভারে ৯তলা ভবনটি ধসে পড়ে এক হাজার ১৩৬ জন পোশাক শ্রমিক মারা গিয়েছিলেন এবং দুই হাজার পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছিলেন। এটি ছিল বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনাগুলোর একটি। কিন্তু ১৩ বছর পরেও বিচার শেষ হয়নি এবং অনেক বেঁচে যাওয়া শ্রমিক আজও জীবিকা সংকটে রয়েছেন।

বিচার যেখানে আটকে আছে

ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ২০১৬ সালে ঢাকার একটি আদালতে শুরু হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ আট বছরেও বিচার নিষ্পত্তি হয়নি। ডেইলি স্টার লিখেছে, রানা প্লাজার কথা উঠলেই এখন অনেক মহলে “অস্বস্তি” তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বারবার বিচার ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

শ্রমিকদের জীবন এখনো সংগ্রামময়

রানা প্লাজার একটি কারখানায় কর্মরত শ্রমিক রোজিনা বেগম বলেন, ঘটনার পরে পোশাক খাতের কারখানায় নিরাপত্তা অনেকটা উন্নত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মজুরি এখনো অপ্রতুল। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে অনেক শ্রমিক এখনো প্রতিদিনের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষতিপূরণের প্রশ্নটি আজও নিষ্পত্তি হয়নি এবং শ্রম আইনে ক্ষতিপূরণের সীমা এখনো অপর্যাপ্ত।