০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

রাফাহ বন্ধই, ইসরায়েল শনাক্ত করল এক জিম্মির মরদেহ

আসবাবহীন বিরতি, মানবিক চাপ
হামাসের কাছে থাকা দুই মরদেহ রেড ক্রসের মাধ্যমে হস্তান্তরের পর ইসরায়েল জানায়—এগুলোর একটি রোনেন এঙ্গেলের। একই সময়ে মিশরের সঙ্গে রাফাহ স্থলসীমান্ত বন্ধই থাকে—ফলে গাজাবাসীর চিকিৎসা–যাত্রা ও পারাপার স্থবির। যুদ্ধের পর থেকে কিছু মরদেহ ফেরত এসেছে; ইসরায়েলও বহু ফিলিস্তিনির দেহ ফেরত দিয়েছে।
এই শনাক্তকরণ সূক্ষ্ম অস্ত্রবিরতি ও বন্দি–বিনিময় প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে আছে, যেখানে বিরতিতে মুক্তি, আবার নতুন অভিযোগ—এভাবেই চক্র ঘোরে। দুই পাড়ার পরিবারগুলোর জন্য প্রতিটি হস্তান্তর সমান মাত্রায় আশা ও আতঙ্ক—আলোচকদের উপরও চাপ বাড়ে।

মানবিক করিডর, রাজনীতি ও জনমত
সাহায্য–সংস্থাগুলো বলছে—সীমান্ত বন্ধ থাকায় চিকিৎসা সেবা ভয়াবহভাবে ব্যাহত। কে আগে কী করবে, কীভাবে যাচাই হবে—এই “সিকোয়েন্সিং” নিয়েই কূটনীতির টানাপোড়েন। ইসরায়েলে জনমানস জিম্মিদের ঘিরে সংবেদনশীল; গাজায় মূল এজেন্ডা—গতি–স্বাধীনতা ও পুনর্গঠন। সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় অবস্থানগুলোও কঠিন হচ্ছে।
টেকসই সমাধানে প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্য নজরদারি, ধাপে ধাপে অগ্রগতি ও নাগরিক–স্বার্থকে কেন্দ্রে রাখার কাঠামো। ততদিন প্রতিটি মুক্তি—বা মরদেহ শনাক্ত—আমাদের স্মরণ করিয়ে দেবে, শান্তির সেতু এখনো অনেক দূর।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

রাফাহ বন্ধই, ইসরায়েল শনাক্ত করল এক জিম্মির মরদেহ

০৪:২১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

আসবাবহীন বিরতি, মানবিক চাপ
হামাসের কাছে থাকা দুই মরদেহ রেড ক্রসের মাধ্যমে হস্তান্তরের পর ইসরায়েল জানায়—এগুলোর একটি রোনেন এঙ্গেলের। একই সময়ে মিশরের সঙ্গে রাফাহ স্থলসীমান্ত বন্ধই থাকে—ফলে গাজাবাসীর চিকিৎসা–যাত্রা ও পারাপার স্থবির। যুদ্ধের পর থেকে কিছু মরদেহ ফেরত এসেছে; ইসরায়েলও বহু ফিলিস্তিনির দেহ ফেরত দিয়েছে।
এই শনাক্তকরণ সূক্ষ্ম অস্ত্রবিরতি ও বন্দি–বিনিময় প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে আছে, যেখানে বিরতিতে মুক্তি, আবার নতুন অভিযোগ—এভাবেই চক্র ঘোরে। দুই পাড়ার পরিবারগুলোর জন্য প্রতিটি হস্তান্তর সমান মাত্রায় আশা ও আতঙ্ক—আলোচকদের উপরও চাপ বাড়ে।

মানবিক করিডর, রাজনীতি ও জনমত
সাহায্য–সংস্থাগুলো বলছে—সীমান্ত বন্ধ থাকায় চিকিৎসা সেবা ভয়াবহভাবে ব্যাহত। কে আগে কী করবে, কীভাবে যাচাই হবে—এই “সিকোয়েন্সিং” নিয়েই কূটনীতির টানাপোড়েন। ইসরায়েলে জনমানস জিম্মিদের ঘিরে সংবেদনশীল; গাজায় মূল এজেন্ডা—গতি–স্বাধীনতা ও পুনর্গঠন। সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় অবস্থানগুলোও কঠিন হচ্ছে।
টেকসই সমাধানে প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্য নজরদারি, ধাপে ধাপে অগ্রগতি ও নাগরিক–স্বার্থকে কেন্দ্রে রাখার কাঠামো। ততদিন প্রতিটি মুক্তি—বা মরদেহ শনাক্ত—আমাদের স্মরণ করিয়ে দেবে, শান্তির সেতু এখনো অনেক দূর।