০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

সংসদের নতুন অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের ভাষণকে কেন্দ্র করে সংসদে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুরু হওয়ার আগেই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদ কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে বিরোধিতা

বৃহস্পতিবার সংসদের নতুন অধিবেশন শুরু হয় রাষ্ট্রপতির সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত ভাষণের মধ্য দিয়ে। রাষ্ট্রপতি সংসদে প্রবেশ করে ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিলে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ শুরু করেন।

রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দেওয়া মাত্রই বিরোধী দলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন। ওই কার্ডে লেখা ছিল— “জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়”। এর মাধ্যমে তারা সরকারের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, সংসদে উপস্থিত সরকারদলীয় সদস্যরা এবং সংসদ নেতা রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে দাঁড়িয়ে পড়েন।

জাতীয় সংগীত চলাকালে বিতর্ক

রাষ্ট্রপতির প্রবেশের সময় বিউগল বাজানো হয় এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন শুরু হয়। তখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন সংসদ সদস্য নিজেদের আসনে বসেই থাকেন, যা সংসদে একটি বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সংসদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সদস্যদের ইঙ্গিত দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেন যে জাতীয় সংগীত বাজছে এবং সবাইকে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান।

পরে কয়েকজন সংসদ সদস্য দাঁড়িয়ে গেলেও অন্যরা বসেই থাকেন।

স্লোগান দিয়ে ওয়াকআউট

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন যখন তার ভাষণ শুরু করেন, তখন বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ কক্ষে স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর তারা সংসদ থেকে বেরিয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াকআউট করেন।

এর ফলে সংসদের নতুন অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাজনৈতিক উত্তেজনার একটি দৃশ্য তৈরি হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

০৭:০০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

সংসদের নতুন অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের ভাষণকে কেন্দ্র করে সংসদে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুরু হওয়ার আগেই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদ কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে বিরোধিতা

বৃহস্পতিবার সংসদের নতুন অধিবেশন শুরু হয় রাষ্ট্রপতির সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত ভাষণের মধ্য দিয়ে। রাষ্ট্রপতি সংসদে প্রবেশ করে ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিলে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ শুরু করেন।

রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দেওয়া মাত্রই বিরোধী দলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন। ওই কার্ডে লেখা ছিল— “জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়”। এর মাধ্যমে তারা সরকারের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, সংসদে উপস্থিত সরকারদলীয় সদস্যরা এবং সংসদ নেতা রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে দাঁড়িয়ে পড়েন।

জাতীয় সংগীত চলাকালে বিতর্ক

রাষ্ট্রপতির প্রবেশের সময় বিউগল বাজানো হয় এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন শুরু হয়। তখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন সংসদ সদস্য নিজেদের আসনে বসেই থাকেন, যা সংসদে একটি বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সংসদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সদস্যদের ইঙ্গিত দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেন যে জাতীয় সংগীত বাজছে এবং সবাইকে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান।

পরে কয়েকজন সংসদ সদস্য দাঁড়িয়ে গেলেও অন্যরা বসেই থাকেন।

স্লোগান দিয়ে ওয়াকআউট

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন যখন তার ভাষণ শুরু করেন, তখন বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ কক্ষে স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর তারা সংসদ থেকে বেরিয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াকআউট করেন।

এর ফলে সংসদের নতুন অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাজনৈতিক উত্তেজনার একটি দৃশ্য তৈরি হয়।