০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের

আওয়ামী লীগের পক্ষে কোনো ধরনের ওকালতি বা যুক্তি তুলে ধরলে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তাঁর নির্বাচনী প্রতীককে কেন্দ্র করেই বক্তব্যে রূপক অর্থে ‘হাঁস’ ও ‘নৌকা’ প্রসঙ্গ টেনে কথা বলেন সারোয়ার তুষার।

নৌকাডুবির সঙ্গে ‘হাঁস’ প্রসঙ্গ

সারোয়ার তুষার বলেন, ‘এখানে নৌকাডুবি হয়ে গেছে।’ নৌকাডুবির পর রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ যদি ডুব দিয়ে নৌকা খুঁজতে যায়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ কিংবা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ সেই হাঁসকে আস্ত রাখবে কি না—এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তিনি বলেন, হাঁস যদি নৌকা খুঁজতে থাকে, তাহলে জনগণ সেটি খেয়ে ফেলবে। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘সাধু সাবধান’ বলেও সতর্ক করেন।

আওয়ামী লীগের পক্ষে ওকালতি না করার আহ্বান

বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিচার চাওয়া এবং দলটির আবার রাজনীতিতে আসার পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার মধ্যে বৈপরীত্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেন সারোয়ার তুষার। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিচার না চেয়ে কেন দলটিকে আবার আসতেই হবে—এমন কথা বলা হচ্ছে, তা তিনি মেনে নিতে পারছেন না।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষে কোনো ধরনের ওকালতি তারা শুনতে চান না।

নির্বাচনে জয় মানেই ‘যা খুশি করার লাইসেন্স’ নয়

সারোয়ার তুষার বলেন, একটি নির্বাচন জিতে কেউ যদি মনে করেন এখন তিনি যা খুশি তা করার লাইসেন্স পেয়ে গেছেন, বিষয়টি এত সহজ নয়। রুমিন ফারহানাকে তারা ভালোবাসেন ও পছন্দ করেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে সবকিছুর একটি সীমা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

তিনি রুমিন ফারহানাকে আওয়ামী লীগকে নিয়ে কোনো ধরনের ‘জাস্টিফিকেশন’ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আবারও বলেন, হাঁস যদি নৌকা খুঁজতে থাকে, তাহলে সেই হাঁস তারা ‘খেয়ে ফেলবেন’।

এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন দলটির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক বাকের মজুমদারসহ অন্যরা।

রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সারোয়ার তুষারের বক্তব্যকে ঘিরে আলোচনায় এসেছে রুমিন ফারহানার নির্বাচনী প্রতীক ‘হাঁস’। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দলীয় সাংগঠনিক সভায় আওয়ামী লীগের পক্ষে কোনো ধরনের বক্তব্য বা সাফাই না দেওয়ার আহ্বানের পাশাপাশি প্রতীকটি নিয়ে এমন সতর্কবার্তা দেন এনসিপির এই নেতা।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের

০৮:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

আওয়ামী লীগের পক্ষে কোনো ধরনের ওকালতি বা যুক্তি তুলে ধরলে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তাঁর নির্বাচনী প্রতীককে কেন্দ্র করেই বক্তব্যে রূপক অর্থে ‘হাঁস’ ও ‘নৌকা’ প্রসঙ্গ টেনে কথা বলেন সারোয়ার তুষার।

নৌকাডুবির সঙ্গে ‘হাঁস’ প্রসঙ্গ

সারোয়ার তুষার বলেন, ‘এখানে নৌকাডুবি হয়ে গেছে।’ নৌকাডুবির পর রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ যদি ডুব দিয়ে নৌকা খুঁজতে যায়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ কিংবা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ সেই হাঁসকে আস্ত রাখবে কি না—এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তিনি বলেন, হাঁস যদি নৌকা খুঁজতে থাকে, তাহলে জনগণ সেটি খেয়ে ফেলবে। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘সাধু সাবধান’ বলেও সতর্ক করেন।

আওয়ামী লীগের পক্ষে ওকালতি না করার আহ্বান

বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিচার চাওয়া এবং দলটির আবার রাজনীতিতে আসার পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার মধ্যে বৈপরীত্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেন সারোয়ার তুষার। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিচার না চেয়ে কেন দলটিকে আবার আসতেই হবে—এমন কথা বলা হচ্ছে, তা তিনি মেনে নিতে পারছেন না।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষে কোনো ধরনের ওকালতি তারা শুনতে চান না।

নির্বাচনে জয় মানেই ‘যা খুশি করার লাইসেন্স’ নয়

সারোয়ার তুষার বলেন, একটি নির্বাচন জিতে কেউ যদি মনে করেন এখন তিনি যা খুশি তা করার লাইসেন্স পেয়ে গেছেন, বিষয়টি এত সহজ নয়। রুমিন ফারহানাকে তারা ভালোবাসেন ও পছন্দ করেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে সবকিছুর একটি সীমা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

তিনি রুমিন ফারহানাকে আওয়ামী লীগকে নিয়ে কোনো ধরনের ‘জাস্টিফিকেশন’ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আবারও বলেন, হাঁস যদি নৌকা খুঁজতে থাকে, তাহলে সেই হাঁস তারা ‘খেয়ে ফেলবেন’।

এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন দলটির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক বাকের মজুমদারসহ অন্যরা।

রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সারোয়ার তুষারের বক্তব্যকে ঘিরে আলোচনায় এসেছে রুমিন ফারহানার নির্বাচনী প্রতীক ‘হাঁস’। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দলীয় সাংগঠনিক সভায় আওয়ামী লীগের পক্ষে কোনো ধরনের বক্তব্য বা সাফাই না দেওয়ার আহ্বানের পাশাপাশি প্রতীকটি নিয়ে এমন সতর্কবার্তা দেন এনসিপির এই নেতা।