০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -০৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 119

আর্কাদি গাইদার

প্রথম পরিচ্ছেদ

‘রন্দি বুটজুতো বেচে ব্যাটা হাজার হাজার কামিয়েচে। পয়সা ঘুস দিয়ে ছেলেটারে পর্যন্ত ফৌজ থেকে ছাড়িয়ে এনেচে।

ফৌজের কত্তার হাতে গুজে দিয়েচে তিন শো রুল, আর হাসপাতালের ডাক্তারের পকেটে দিয়েচে পাঁচ শো। মাতাল হয়ে নিজেই আবার বড়াই করে বলেচে এ-সব। অন্যের ঘাড় ভেঙে লড়াই জিততে ভারি ওস্তাদ সব। আবার নাকি কেরেষ্কির ছবি কিনেচে। ব্যাটা, তোরে আর তোর ওই কেরেনূষ্কিরে একই গাছে লটকে দেয়া দরকার। এই নাকি স্বাধীনতা, এর জন্যেই ধৈর্য ধরে ছিলাম এতকাল! বাহবা, বাহবা!’

সে-সময়ে মনে হত, সবাই যেন পাগল হয়ে গেছে। যেদিকে যাও, চারিদিকে খালি শোনো:

‘কেরেনষ্কি, কেরেনি।’

প্রতিটি খবরের কাগজের প্রতি সংখ্যায় তখন কেরেস্কির ছবি। ‘কেরেনিষ্ক বক্তৃতা দিচ্ছেন’, ‘যে-পথে কেরেনি, সেই পথেই ফুলের গালিচা’, ‘খুশিতে ডগমগ মহিলারা কেরেষ্কিকে কোলে তুলে নিয়েছেন’, এই সব। আরুজ্জামাস শহর- পরিষদের সদস্য ফেওফানভ নিজের কাজে মস্কো গেলেন কিন্তু ফিরে এলে শোনা গেল তিনি কেরেনিষ্কর হাতে হাত মিলিয়ে অভিবাদন জানিয়ে এসেছেন। ব্যস, আর যায় কোথায়, দলে দলে লোক ছুটল ফেওফানভের পেছনে।

‘আপনি বলতে চান, কেরেনস্কি স্বয়ং আপনার হাতে ঝাঁকুনি দিয়েছেন?’

‘দিয়েছেন বই কি,’ গম্ভীর চালে বললেন ফেওফানভ।

‘মানে, সত্যিসত্যিই আপনার হাতে হাত দিয়েছেন?’

‘হ্যাঁ, আমার এই ডান হাত ধরে ঝাঁকুনি দিয়েছেন।’

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -০৯)

০৮:০০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

আর্কাদি গাইদার

প্রথম পরিচ্ছেদ

‘রন্দি বুটজুতো বেচে ব্যাটা হাজার হাজার কামিয়েচে। পয়সা ঘুস দিয়ে ছেলেটারে পর্যন্ত ফৌজ থেকে ছাড়িয়ে এনেচে।

ফৌজের কত্তার হাতে গুজে দিয়েচে তিন শো রুল, আর হাসপাতালের ডাক্তারের পকেটে দিয়েচে পাঁচ শো। মাতাল হয়ে নিজেই আবার বড়াই করে বলেচে এ-সব। অন্যের ঘাড় ভেঙে লড়াই জিততে ভারি ওস্তাদ সব। আবার নাকি কেরেষ্কির ছবি কিনেচে। ব্যাটা, তোরে আর তোর ওই কেরেনূষ্কিরে একই গাছে লটকে দেয়া দরকার। এই নাকি স্বাধীনতা, এর জন্যেই ধৈর্য ধরে ছিলাম এতকাল! বাহবা, বাহবা!’

সে-সময়ে মনে হত, সবাই যেন পাগল হয়ে গেছে। যেদিকে যাও, চারিদিকে খালি শোনো:

‘কেরেনষ্কি, কেরেনি।’

প্রতিটি খবরের কাগজের প্রতি সংখ্যায় তখন কেরেস্কির ছবি। ‘কেরেনিষ্ক বক্তৃতা দিচ্ছেন’, ‘যে-পথে কেরেনি, সেই পথেই ফুলের গালিচা’, ‘খুশিতে ডগমগ মহিলারা কেরেষ্কিকে কোলে তুলে নিয়েছেন’, এই সব। আরুজ্জামাস শহর- পরিষদের সদস্য ফেওফানভ নিজের কাজে মস্কো গেলেন কিন্তু ফিরে এলে শোনা গেল তিনি কেরেনিষ্কর হাতে হাত মিলিয়ে অভিবাদন জানিয়ে এসেছেন। ব্যস, আর যায় কোথায়, দলে দলে লোক ছুটল ফেওফানভের পেছনে।

‘আপনি বলতে চান, কেরেনস্কি স্বয়ং আপনার হাতে ঝাঁকুনি দিয়েছেন?’

‘দিয়েছেন বই কি,’ গম্ভীর চালে বললেন ফেওফানভ।

‘মানে, সত্যিসত্যিই আপনার হাতে হাত দিয়েছেন?’

‘হ্যাঁ, আমার এই ডান হাত ধরে ঝাঁকুনি দিয়েছেন।’