০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -২৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
  • 139

আর্কাদি গাইদার

তৃতীয় পরিচ্ছেদ

শেষের কথাগুলো দাঁড়কাকের তেমন পছন্দ হল না। উনি জানতে চাইলেন, সাপ নেই এমন আর কোনো লুকনোর জায়গা কাছাকাছি আমার জানা আছে কিনা।

জানালুম, কাছাকাছি তেমন কোনো সুবিধেমত জায়গা নেই। সর্বত্র সব সময়ে লোকে চলাফেরা করছে- হয় ভেড়া চরাচ্ছে, নয় আলুর খেতে নিড়েন দিচ্ছে, আর নয়তো অরের সন্ধি-বাগানগুলোর কাছে ছেলেপিলেরা ঘুরঘুর করছে।

কাজেই, কী আর করা। দাঁড়কাক বোঝাটা কাঁধে ফেলে উঠলেন। নদীর পাড় ধরে আমরা এগোতে লাগলুম।

নিরাপদ একটা জায়গা বেছে নিয়ে বোঁচকাটা লুকিয়ে রাখলুম।

‘আচ্ছা, শহরে ফিরে যাও তাহলে,’ দাঁড়কাক বললেন। ‘কাল এসে আমি বোঁচকাটা নিয়ে যাব। আর আমাদের কমিটির কোনো লোককে যদি দেখতে পাও তো বোলো যে আমি এখনও এখানে আছি। আচ্ছা, দাঁড়াও এক মিনিট’ আমাকে দাঁড় করিয়ে মুখের দিকে নিবিষ্ট ভাবে তাকালেন উনি। ‘কথাটা কাউকে বলবে না, আশা করি? কী বল, ইয়ার? বেফাঁস কথা কিন্তু মোটে নয়।’

‘না-না, কখনই না!’ অপমানকর এই সন্দেহ প্রকাশ করায় সংকুচিত হয়ে বিড়বিড় করে বললুম, ‘কারো সম্বন্ধে একটা কথাও কি কখনও আমি বলেছি? এমন কি ইশকুলেও কখনও কারো সর্ম্পকে আড়ালে অন্যায়ভাবে কথা লাগাই নি, খেলাচ্ছলেও না। আর এ তো খেলা নয়, এ গুরুতর ব্যাপার। কী করে আপনি ভাবতে পারলেন যে…’

দাঁড়কাক কথাটা শেষ করতে দিলেন না আমায়। হাড়-জিরজিরে হাত দিয়ে আমার পিঠ চাপড়ে দিলেন। হেসে বললেন:

‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। যাও, বাড়ি যাও দেখি। একেবারে পাক্কা ষড়ষন্ত্রী দেখছি!

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -২৮)

০৮:০০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

তৃতীয় পরিচ্ছেদ

শেষের কথাগুলো দাঁড়কাকের তেমন পছন্দ হল না। উনি জানতে চাইলেন, সাপ নেই এমন আর কোনো লুকনোর জায়গা কাছাকাছি আমার জানা আছে কিনা।

জানালুম, কাছাকাছি তেমন কোনো সুবিধেমত জায়গা নেই। সর্বত্র সব সময়ে লোকে চলাফেরা করছে- হয় ভেড়া চরাচ্ছে, নয় আলুর খেতে নিড়েন দিচ্ছে, আর নয়তো অরের সন্ধি-বাগানগুলোর কাছে ছেলেপিলেরা ঘুরঘুর করছে।

কাজেই, কী আর করা। দাঁড়কাক বোঝাটা কাঁধে ফেলে উঠলেন। নদীর পাড় ধরে আমরা এগোতে লাগলুম।

নিরাপদ একটা জায়গা বেছে নিয়ে বোঁচকাটা লুকিয়ে রাখলুম।

‘আচ্ছা, শহরে ফিরে যাও তাহলে,’ দাঁড়কাক বললেন। ‘কাল এসে আমি বোঁচকাটা নিয়ে যাব। আর আমাদের কমিটির কোনো লোককে যদি দেখতে পাও তো বোলো যে আমি এখনও এখানে আছি। আচ্ছা, দাঁড়াও এক মিনিট’ আমাকে দাঁড় করিয়ে মুখের দিকে নিবিষ্ট ভাবে তাকালেন উনি। ‘কথাটা কাউকে বলবে না, আশা করি? কী বল, ইয়ার? বেফাঁস কথা কিন্তু মোটে নয়।’

‘না-না, কখনই না!’ অপমানকর এই সন্দেহ প্রকাশ করায় সংকুচিত হয়ে বিড়বিড় করে বললুম, ‘কারো সম্বন্ধে একটা কথাও কি কখনও আমি বলেছি? এমন কি ইশকুলেও কখনও কারো সর্ম্পকে আড়ালে অন্যায়ভাবে কথা লাগাই নি, খেলাচ্ছলেও না। আর এ তো খেলা নয়, এ গুরুতর ব্যাপার। কী করে আপনি ভাবতে পারলেন যে…’

দাঁড়কাক কথাটা শেষ করতে দিলেন না আমায়। হাড়-জিরজিরে হাত দিয়ে আমার পিঠ চাপড়ে দিলেন। হেসে বললেন:

‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। যাও, বাড়ি যাও দেখি। একেবারে পাক্কা ষড়ষন্ত্রী দেখছি!