১২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

লখিন্দরদেশ

দেশের নাম লখিন্দর
আঁচলে ঢেকে রাখে তাকে বেহুলা
কালনাগিনী ঢোকে নিশিরাতে।
নীল বিষে মাঝে মাঝে
হৃদস্পন্দন থেমে যায়
খসে পড়ে লখিন্দরদেশের
চর্মমাংস একে একে।
এ শুধু একবার নয়
সেই জন্মকাল থেকে।
নীল বিষে ভরা এ লখিন্দরকে
নিয়ে বেহুলা ভেসে
চলে মরণকে করে আলিঙ্গন বার বার
দিনের আলো ও গভীর কালো রাত মাথায় নিয়ে।

নীল বিষে যখনই অসাড় হয় লখিন্দরদেশ
তখন দেশের ঘাসফুলপাখি রাতের
শেষের শুকতারাটিও কাঁদে নীরবে।
সব ফুল শুষ্ক মুখে চেয়ে থাকে
গাঙুড়ের পানে।
গভীর নিশীথে ফুল শুধু নয়
পাতারও চোখের পানি পড়ে ঝরে
শুধু বেহুলার পথ চেয়ে।
কাতর কণ্ঠ তাদের নিশিবাতাসের মত
কান্না হয়ে ফেরে আকাশ থেকে আকাশে।
ডুকরে ওঠে যেন বাতাসের কণ্ঠ
ফিরে আয় বেহুলাফিরে আয়
তুই ছাড়া ফুটবে না ভাট ফুলঘাস ফুল যত
তুই ছাড়া কে আবার জাগাবে কচি পাতা
নতুন ভোরের ছোট্ট ঘাসফুল
নীল বিষে অসাড় দেহেরমাংস খসে পড়া
লখিন্দরদেশের।
ফিরে আয় বেহুলাফিরে আয়
কাঁদে আকাশকাঁদে ঘাসকাঁদে ভাটফুল
কাঁদে ছোট্ট চোখের বুলবুলিকাঁদে বাউরি বাতাস।
ফিরে আয় বেহুলাফিরে আয়— ফিরে আয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

লখিন্দরদেশ

০৭:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

দেশের নাম লখিন্দর
আঁচলে ঢেকে রাখে তাকে বেহুলা
কালনাগিনী ঢোকে নিশিরাতে।
নীল বিষে মাঝে মাঝে
হৃদস্পন্দন থেমে যায়
খসে পড়ে লখিন্দরদেশের
চর্মমাংস একে একে।
এ শুধু একবার নয়
সেই জন্মকাল থেকে।
নীল বিষে ভরা এ লখিন্দরকে
নিয়ে বেহুলা ভেসে
চলে মরণকে করে আলিঙ্গন বার বার
দিনের আলো ও গভীর কালো রাত মাথায় নিয়ে।

নীল বিষে যখনই অসাড় হয় লখিন্দরদেশ
তখন দেশের ঘাসফুলপাখি রাতের
শেষের শুকতারাটিও কাঁদে নীরবে।
সব ফুল শুষ্ক মুখে চেয়ে থাকে
গাঙুড়ের পানে।
গভীর নিশীথে ফুল শুধু নয়
পাতারও চোখের পানি পড়ে ঝরে
শুধু বেহুলার পথ চেয়ে।
কাতর কণ্ঠ তাদের নিশিবাতাসের মত
কান্না হয়ে ফেরে আকাশ থেকে আকাশে।
ডুকরে ওঠে যেন বাতাসের কণ্ঠ
ফিরে আয় বেহুলাফিরে আয়
তুই ছাড়া ফুটবে না ভাট ফুলঘাস ফুল যত
তুই ছাড়া কে আবার জাগাবে কচি পাতা
নতুন ভোরের ছোট্ট ঘাসফুল
নীল বিষে অসাড় দেহেরমাংস খসে পড়া
লখিন্দরদেশের।
ফিরে আয় বেহুলাফিরে আয়
কাঁদে আকাশকাঁদে ঘাসকাঁদে ভাটফুল
কাঁদে ছোট্ট চোখের বুলবুলিকাঁদে বাউরি বাতাস।
ফিরে আয় বেহুলাফিরে আয়— ফিরে আয়।