০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

শফিকুর রহমান সম্মতি দিলে জামায়াতের চিঠি প্রকাশে প্রস্তুত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

সাম্প্রতিক সময়ে জনপরিসরে আলোচনা বাড়তে থাকায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পাঠানো একটি চিঠি প্রকাশে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ জন্য তার লিখিত সম্মতি প্রয়োজন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

চিঠি প্রকাশে শর্ত
বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ডা. শফিকুর রহমান লিখিত অনুমতি দিলে তার পাঠানো চিঠির পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করতে তারা প্রস্তুত। বিষয়টি ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা ও সংবাদ প্রকাশের পর মন্ত্রণালয় এই অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়া
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ওই চিঠিটি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠান। পরে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতেও তুলে দেন।

চিঠিটি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি প্যাডে লেখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।

চিঠির মূল বিষয়বস্তু
চিঠির বিষয় ছিল—বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পর্যায়ের পদে নিয়োগ ও সুপারিশ।

স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ডা. শফিকুর রহমান ডা. মাহমুদুল হাসানের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে দেশের পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নিতে তাকে ওই পদে নিয়োগের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ জানান। বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার অনুরোধও করেন তিনি।

মন্ত্রণালয় জানায়, চিঠিটিতে কেবল বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষরই রয়েছে।

ফোনালাপের দাবি অস্বীকার
এদিকে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জামায়াতের আমির সরাসরি ফোন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই চিঠি সম্পর্কে জামায়াতের আমির অবগত ছিলেন না।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ দাবি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ ঘটেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

শফিকুর রহমান সম্মতি দিলে জামায়াতের চিঠি প্রকাশে প্রস্তুত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

০৬:২৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে জনপরিসরে আলোচনা বাড়তে থাকায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পাঠানো একটি চিঠি প্রকাশে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ জন্য তার লিখিত সম্মতি প্রয়োজন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

চিঠি প্রকাশে শর্ত
বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ডা. শফিকুর রহমান লিখিত অনুমতি দিলে তার পাঠানো চিঠির পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করতে তারা প্রস্তুত। বিষয়টি ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা ও সংবাদ প্রকাশের পর মন্ত্রণালয় এই অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়া
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ওই চিঠিটি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠান। পরে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতেও তুলে দেন।

চিঠিটি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি প্যাডে লেখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।

চিঠির মূল বিষয়বস্তু
চিঠির বিষয় ছিল—বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পর্যায়ের পদে নিয়োগ ও সুপারিশ।

স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ডা. শফিকুর রহমান ডা. মাহমুদুল হাসানের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে দেশের পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নিতে তাকে ওই পদে নিয়োগের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ জানান। বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার অনুরোধও করেন তিনি।

মন্ত্রণালয় জানায়, চিঠিটিতে কেবল বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষরই রয়েছে।

ফোনালাপের দাবি অস্বীকার
এদিকে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জামায়াতের আমির সরাসরি ফোন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই চিঠি সম্পর্কে জামায়াতের আমির অবগত ছিলেন না।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ দাবি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ ঘটেনি।