০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি
গতকাল আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। শুনানিতে বলা হয়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তিনি আইন মান্যকারী ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও হয়রানির অংশ হিসেবেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে তাঁর নাম থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। পেশাগত পরিচয়ে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

ভোরের আলো

আদালতের সিদ্ধান্ত
সব পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুল্যুশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ

০৫:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি
গতকাল আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। শুনানিতে বলা হয়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তিনি আইন মান্যকারী ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও হয়রানির অংশ হিসেবেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে তাঁর নাম থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। পেশাগত পরিচয়ে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

ভোরের আলো

আদালতের সিদ্ধান্ত
সব পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভুল্যুশনারি এলায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই সময় থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।