০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

সমুদ্র ড্রোনে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নতুন মাত্রায়

ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে অন্তত দুটি
তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরকবাহী নৌ-ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো
হয়েছে বলে সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ ও বিশ্লেষকরা নিশ্চিত করেছেন।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত এই মানবহীন বিস্ফোরকবাহী
নৌযান বা ‘সী ড্রোন’য়ের প্রযুক্তি এখন হরমুজ প্রণালির জলপথে নতুন ও
বিপজ্জনক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

প্রথম ঘটনা: এমকেডি ভ্যায়ম ট্যাংকারে হামলা

প্রথম নৌ-ড্রোন হামলাটি ঘটে ১ মার্চ। মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী
অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার ‘এমকেডি ভ্যায়ম’ ওমানের উপকূল থেকে প্রায়
৪৪ নটিক্যাল মাইল দূরে আঘাতের শিকার হয়। ব্রিটিশ সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ
ইউকেএমটিও জানায়, একটি মানবহীন সারফেস ভেসেল ওয়াটারলাইনের উপরে
ট্যাংকারে আঘাত করে, ফলে ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগে। একজন
ভারতীয় নাবিক নিহত হন, বাকি ২০ জনকে উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় ঘটনায়
বাহামা-পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘সোনাঙ্গোল নামিবে’ ইরাকের খোর আল-জুবেইর
বন্দরের কাছে নোঙরে থাকা অবস্থায় আঘাতের মুখে পড়ে, তবে ২৩ জন নাবিক
নিরাপদে রয়েছেন।

ওমানে তেলবাহী জাহাজে ভয়াবহ হামলা, নিহত ১ – খুলনা গেজেট | সবার আগে সঠিক খবর

সামুদ্রিক হুমকির নতুন মাত্রা

ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ইরানের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়, এটি হবে
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথমবার বাণিজ্যিক জাহাজে সরাসরি নৌ-ড্রোন
ব্যবহারের নজির। মেরিটাইম নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যাম্ব্রের রবার্ট
পিটার্স বলেন, সমুদ্র ড্রোন আকাশ ড্রোনের চেয়ে বেশি বিস্ফোরক বহন করতে
পারে এবং সঠিক জায়গায় আঘাত করলে একটি জাহাজকে সম্পূর্ণ অচল করে দিতে
পারে। ইরান-সমর্থিত হুতিরা আগে লোহিত সাগরে এই কৌশল ব্যবহার করেছে,
কিন্তু ইরানের নিজেদের হাতে এই অস্ত্রের ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ
করে তোলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

সমুদ্র ড্রোনে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নতুন মাত্রায়

০২:২৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে অন্তত দুটি
তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরকবাহী নৌ-ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো
হয়েছে বলে সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ ও বিশ্লেষকরা নিশ্চিত করেছেন।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত এই মানবহীন বিস্ফোরকবাহী
নৌযান বা ‘সী ড্রোন’য়ের প্রযুক্তি এখন হরমুজ প্রণালির জলপথে নতুন ও
বিপজ্জনক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

প্রথম ঘটনা: এমকেডি ভ্যায়ম ট্যাংকারে হামলা

প্রথম নৌ-ড্রোন হামলাটি ঘটে ১ মার্চ। মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী
অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার ‘এমকেডি ভ্যায়ম’ ওমানের উপকূল থেকে প্রায়
৪৪ নটিক্যাল মাইল দূরে আঘাতের শিকার হয়। ব্রিটিশ সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ
ইউকেএমটিও জানায়, একটি মানবহীন সারফেস ভেসেল ওয়াটারলাইনের উপরে
ট্যাংকারে আঘাত করে, ফলে ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগে। একজন
ভারতীয় নাবিক নিহত হন, বাকি ২০ জনকে উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় ঘটনায়
বাহামা-পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘সোনাঙ্গোল নামিবে’ ইরাকের খোর আল-জুবেইর
বন্দরের কাছে নোঙরে থাকা অবস্থায় আঘাতের মুখে পড়ে, তবে ২৩ জন নাবিক
নিরাপদে রয়েছেন।

ওমানে তেলবাহী জাহাজে ভয়াবহ হামলা, নিহত ১ – খুলনা গেজেট | সবার আগে সঠিক খবর

সামুদ্রিক হুমকির নতুন মাত্রা

ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ইরানের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়, এটি হবে
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথমবার বাণিজ্যিক জাহাজে সরাসরি নৌ-ড্রোন
ব্যবহারের নজির। মেরিটাইম নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যাম্ব্রের রবার্ট
পিটার্স বলেন, সমুদ্র ড্রোন আকাশ ড্রোনের চেয়ে বেশি বিস্ফোরক বহন করতে
পারে এবং সঠিক জায়গায় আঘাত করলে একটি জাহাজকে সম্পূর্ণ অচল করে দিতে
পারে। ইরান-সমর্থিত হুতিরা আগে লোহিত সাগরে এই কৌশল ব্যবহার করেছে,
কিন্তু ইরানের নিজেদের হাতে এই অস্ত্রের ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ
করে তোলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।