০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

সাগর-রুনি হত্যা মামলার ১৪ বছর: সাংবাদিক দম্পতির বিচার আজও অধরা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনির নৃশংস হত্যার ১৪ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু তদন্ত এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় হত্যার শিকার হন দুজন। তাঁদের শিশুসন্তানের চোখের সামনেই ঘটেছিল ঘটনাটি। এতদিনে মামলার তদন্তভার বদল হয়েছে বহুবার, কিন্তু আসামি শনাক্ত হয়নি, বিচার শুরু হয়নি।
**তদন্তের দীর্ঘ ব্যর্থতার ইতিহাস**
প্রথমে পুলিশ তদন্ত করে, পরে র‍্যাব, সবশেষে সিআইডি। প্রতিবার নতুন সংস্থার হাতে পড়েছে, কিন্তু কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। আদালত বহুবার তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট চেয়েছে। বারবার সময় চাওয়া হয়েছে। সাংবাদিক সমাজ প্রতিবছর এই দিনটিতে প্রতিবাদ করেন এবং দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
**সাংবাদিকতার নিরাপত্তা প্রশ্নে প্রতীকী মামলা**
সাগর-রুনির মামলা এখন বাংলাদেশে সাংবাদিক হত্যার বিচারহীনতার প্রতীক হয়ে গেছে। কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস এবং রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স বারবার এই মামলার নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছে। মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের যে নিম্ন অবস্থান, সাগর-রুনির বিচারহীনতা তার একটি বড় কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

সাগর-রুনি হত্যা মামলার ১৪ বছর: সাংবাদিক দম্পতির বিচার আজও অধরা

০৭:৩৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনির নৃশংস হত্যার ১৪ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু তদন্ত এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় হত্যার শিকার হন দুজন। তাঁদের শিশুসন্তানের চোখের সামনেই ঘটেছিল ঘটনাটি। এতদিনে মামলার তদন্তভার বদল হয়েছে বহুবার, কিন্তু আসামি শনাক্ত হয়নি, বিচার শুরু হয়নি।
**তদন্তের দীর্ঘ ব্যর্থতার ইতিহাস**
প্রথমে পুলিশ তদন্ত করে, পরে র‍্যাব, সবশেষে সিআইডি। প্রতিবার নতুন সংস্থার হাতে পড়েছে, কিন্তু কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। আদালত বহুবার তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট চেয়েছে। বারবার সময় চাওয়া হয়েছে। সাংবাদিক সমাজ প্রতিবছর এই দিনটিতে প্রতিবাদ করেন এবং দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
**সাংবাদিকতার নিরাপত্তা প্রশ্নে প্রতীকী মামলা**
সাগর-রুনির মামলা এখন বাংলাদেশে সাংবাদিক হত্যার বিচারহীনতার প্রতীক হয়ে গেছে। কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস এবং রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স বারবার এই মামলার নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছে। মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের যে নিম্ন অবস্থান, সাগর-রুনির বিচারহীনতা তার একটি বড় কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।