০১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

সিঙ্গাপুর ছেড়ে হংকংয়ে নতুন গবেষণাগার গড়লেন বিজ্ঞানী লিউ জিয়াওয়ে

সিঙ্গাপুরে প্রায় এক দশক গবেষণার পর এবার হংকংয়ে নিজের গবেষণাগার গড়ে তুলছেন তড়িৎ-রসায়নবিদ লিউ জিয়াওয়ে। গবেষণার স্বাধীনতা, আন্তর্জাতিক পরিবেশ এবং মূল ভূখণ্ড চীনের কাছাকাছি থাকার সুযোগ—এই তিনটি বিষয় তাঁর সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নিজের গবেষণাগার গড়ার নতুন যাত্রা

উপকরণবিজ্ঞান ও রসায়নে কাজ করা লিউ জিয়াওয়ে দীর্ঘ সময় সিঙ্গাপুরের গবেষণা পরিবেশে কাজ করেছেন। সেখানে প্রায় এক দশক কাটানোর পর তিনি এমন একটি জায়গায় যেতে চেয়েছিলেন, যেখানে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সুযোগ বজায় থাকবে, একই সঙ্গে মূল ভূখণ্ড চীনে থাকা পরিবারের কাছেও তুলনামূলকভাবে সহজে যাতায়াত করা যাবে।

এই ভাবনা থেকেই তিনি হংকংয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেখানে এখন তিনি সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ে নিজের গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করছেন।

গবেষণায় স্বাধীনতাই বড় আকর্ষণ

What is Research? - Purpose of Research

হংকংয়ে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর লিউ মনে করছেন, এখানকার গবেষণা পরিবেশ তাঁর নিজের গবেষণার দল গড়ে তোলার জন্য উপযোগী।

বিশেষ করে স্বাধীনভাবে গবেষণাগার পরিচালনার সুযোগ তাঁকে আকৃষ্ট করেছে। এখানকার গবেষণা ব্যবস্থায় একজন প্রধান গবেষক নিজের গবেষণার বিষয়, দল এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে যথেষ্ট স্বাধীনতা পান।

লিউয়ের মতে, এই স্বাধীনতা একজন বিজ্ঞানীকে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার লক্ষ্য নির্ধারণ এবং নিজের পছন্দের বিষয়ে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ করে দেয়।

সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের মধ্যে মিল

সিঙ্গাপুরের গবেষণা জগতের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার কারণে লিউ দুই জায়গার পরিবেশ খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাঁর দৃষ্টিতে সিঙ্গাপুর ও হংকং—দুই শহরেই উচ্চমানের গবেষণার পরিবেশ রয়েছে।

দুই জায়গার গবেষণা ব্যবস্থাতেই বৈচিত্র্য, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি মূল ভূখণ্ড চীনের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ রয়েছে। ফলে একজন গবেষক একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানচর্চার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন এবং চীনের দ্রুত বিকশিত গবেষণা ব্যবস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে পারেন।

Freezing up' for the future

পরিবার ও গবেষণার মধ্যে ভারসাম্য

লিউয়ের হংকং বেছে নেওয়ার পেছনে শুধু গবেষণার সুযোগই কাজ করেনি। মূল ভূখণ্ড চীনে থাকা পরিবারের কাছাকাছি থাকার বিষয়টিও তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

সিঙ্গাপুরে দীর্ঘ সময় কাটানোর পর হংকং তাঁকে এমন একটি অবস্থান দিয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক গবেষণা পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও তুলনামূলকভাবে সহজ।

বিজ্ঞানীর এই যাত্রা দেখিয়ে দিচ্ছে, গবেষকদের জন্য শুধু উন্নত গবেষণাগার বা অর্থায়নই নয়, স্বাধীনতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

সিঙ্গাপুর ছেড়ে হংকংয়ে নতুন গবেষণাগার গড়লেন বিজ্ঞানী লিউ জিয়াওয়ে

১১:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

সিঙ্গাপুরে প্রায় এক দশক গবেষণার পর এবার হংকংয়ে নিজের গবেষণাগার গড়ে তুলছেন তড়িৎ-রসায়নবিদ লিউ জিয়াওয়ে। গবেষণার স্বাধীনতা, আন্তর্জাতিক পরিবেশ এবং মূল ভূখণ্ড চীনের কাছাকাছি থাকার সুযোগ—এই তিনটি বিষয় তাঁর সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নিজের গবেষণাগার গড়ার নতুন যাত্রা

উপকরণবিজ্ঞান ও রসায়নে কাজ করা লিউ জিয়াওয়ে দীর্ঘ সময় সিঙ্গাপুরের গবেষণা পরিবেশে কাজ করেছেন। সেখানে প্রায় এক দশক কাটানোর পর তিনি এমন একটি জায়গায় যেতে চেয়েছিলেন, যেখানে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সুযোগ বজায় থাকবে, একই সঙ্গে মূল ভূখণ্ড চীনে থাকা পরিবারের কাছেও তুলনামূলকভাবে সহজে যাতায়াত করা যাবে।

এই ভাবনা থেকেই তিনি হংকংয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেখানে এখন তিনি সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ে নিজের গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করছেন।

গবেষণায় স্বাধীনতাই বড় আকর্ষণ

What is Research? - Purpose of Research

হংকংয়ে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর লিউ মনে করছেন, এখানকার গবেষণা পরিবেশ তাঁর নিজের গবেষণার দল গড়ে তোলার জন্য উপযোগী।

বিশেষ করে স্বাধীনভাবে গবেষণাগার পরিচালনার সুযোগ তাঁকে আকৃষ্ট করেছে। এখানকার গবেষণা ব্যবস্থায় একজন প্রধান গবেষক নিজের গবেষণার বিষয়, দল এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে যথেষ্ট স্বাধীনতা পান।

লিউয়ের মতে, এই স্বাধীনতা একজন বিজ্ঞানীকে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার লক্ষ্য নির্ধারণ এবং নিজের পছন্দের বিষয়ে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ করে দেয়।

সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের মধ্যে মিল

সিঙ্গাপুরের গবেষণা জগতের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার কারণে লিউ দুই জায়গার পরিবেশ খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাঁর দৃষ্টিতে সিঙ্গাপুর ও হংকং—দুই শহরেই উচ্চমানের গবেষণার পরিবেশ রয়েছে।

দুই জায়গার গবেষণা ব্যবস্থাতেই বৈচিত্র্য, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি মূল ভূখণ্ড চীনের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ রয়েছে। ফলে একজন গবেষক একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানচর্চার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন এবং চীনের দ্রুত বিকশিত গবেষণা ব্যবস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে পারেন।

Freezing up' for the future

পরিবার ও গবেষণার মধ্যে ভারসাম্য

লিউয়ের হংকং বেছে নেওয়ার পেছনে শুধু গবেষণার সুযোগই কাজ করেনি। মূল ভূখণ্ড চীনে থাকা পরিবারের কাছাকাছি থাকার বিষয়টিও তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

সিঙ্গাপুরে দীর্ঘ সময় কাটানোর পর হংকং তাঁকে এমন একটি অবস্থান দিয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক গবেষণা পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও তুলনামূলকভাবে সহজ।

বিজ্ঞানীর এই যাত্রা দেখিয়ে দিচ্ছে, গবেষকদের জন্য শুধু উন্নত গবেষণাগার বা অর্থায়নই নয়, স্বাধীনতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।