০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

সিলেটে জ্বালানি সরবরাহে নতুন সংকট, ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা

সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। বিপিসির রেশনিং নীতিমালার প্রতিবাদে তারা ডিপো থেকে নতুন করে তেল উত্তোলন না করার ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে বিভাগজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সিলেটে ভিন্ন পরিস্থিতি
সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকরা আনুষ্ঠানিক ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও বাস্তবে জ্বালানি উত্তোলন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাম্প মালিকদের মতে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের রেশনিং পদ্ধতি এবং দৈনিক ক্রয়সীমা নির্ধারণের নীতিমালায় বড় ধরনের ত্রুটি রয়েছে।

সিলেট পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াশদ আজিম জানান, বর্তমান নীতিমালার কারণে পাম্পগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে তারা ডিপো থেকে নতুন করে জ্বালানি উত্তোলন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে পাম্পগুলোতে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে তা শেষ হওয়া পর্যন্ত বিক্রি চলবে। তবে সেই মজুত শেষ হয়ে গেলে নতুন করে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করা হবে না।

সিলেটে ফিলিং স্টেশনে ধর্মঘট প্রত্যাহার, তবে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের  ঘোষণা | প্রথম আলো

সরবরাহ ও চাহিদার বড় ব্যবধান
সিলেট বিভাগে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন হয়। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ লিটার ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় দুই লাখ লিটার পেট্রোল এবং দেড় লাখ লিটার অকটেনের প্রয়োজন হয়।

কিন্তু বর্তমানে পাম্পগুলোতে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে মাত্র প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি। এই সীমিত সরবরাহে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করা তো দূরের কথা, পাম্প মালিকদের পরিবহন ব্যয়ও ওঠে না বলে দাবি করেছেন মালিক সমিতির নেতারা।

নীতিমালা নিয়ে অসন্তোষ
পাম্প মালিকদের অভিযোগ, বিপিসির রেশনিং নীতিমালা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, দ্রুত এই নীতিমালার সংশোধন না হলে সিলেট অঞ্চলে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

সিলেটে জ্বালানি সরবরাহে নতুন সংকট, ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা

১২:২৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। বিপিসির রেশনিং নীতিমালার প্রতিবাদে তারা ডিপো থেকে নতুন করে তেল উত্তোলন না করার ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে বিভাগজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সিলেটে ভিন্ন পরিস্থিতি
সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকরা আনুষ্ঠানিক ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও বাস্তবে জ্বালানি উত্তোলন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাম্প মালিকদের মতে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের রেশনিং পদ্ধতি এবং দৈনিক ক্রয়সীমা নির্ধারণের নীতিমালায় বড় ধরনের ত্রুটি রয়েছে।

সিলেট পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াশদ আজিম জানান, বর্তমান নীতিমালার কারণে পাম্পগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে তারা ডিপো থেকে নতুন করে জ্বালানি উত্তোলন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে পাম্পগুলোতে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে তা শেষ হওয়া পর্যন্ত বিক্রি চলবে। তবে সেই মজুত শেষ হয়ে গেলে নতুন করে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করা হবে না।

সিলেটে ফিলিং স্টেশনে ধর্মঘট প্রত্যাহার, তবে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের  ঘোষণা | প্রথম আলো

সরবরাহ ও চাহিদার বড় ব্যবধান
সিলেট বিভাগে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন হয়। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ লিটার ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় দুই লাখ লিটার পেট্রোল এবং দেড় লাখ লিটার অকটেনের প্রয়োজন হয়।

কিন্তু বর্তমানে পাম্পগুলোতে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে মাত্র প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি। এই সীমিত সরবরাহে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করা তো দূরের কথা, পাম্প মালিকদের পরিবহন ব্যয়ও ওঠে না বলে দাবি করেছেন মালিক সমিতির নেতারা।

নীতিমালা নিয়ে অসন্তোষ
পাম্প মালিকদের অভিযোগ, বিপিসির রেশনিং নীতিমালা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, দ্রুত এই নীতিমালার সংশোধন না হলে সিলেট অঞ্চলে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হতে পারে।