০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

স্লো-লিভিং: শহরের ছোট বদলে বড় স্থিতি

সচেতন পছন্দ, ব্যবহারিক জীবনযাপন

স্লো-লিভিং মানে কম কিনে বেশি ব্যবহার করা। একটি মেরামত করা জামা কিনতে যাওয়ার আগে ঠিক করে ফেললে এবং সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে রান্না করলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচে। ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমলেই জায়গা ও মন দুটোই বড় হয়। নিয়মিত ছোট রুটিন—সকালের চা, স্থানীয় বাজার, মাসিক মেরামত—দিনকে সুসংগঠিত করে।

স্থানীয় কারিগর ও টেকসই স্টাইল

স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিস কেনা অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং কারিগরদের দক্ষতা সংরক্ষণ করে। পুনরায় ব্যবহার বা মেরামত সুবিধা দেওয়া নির্মাতাদের নোট করুন। ঋতুভিত্তিক খাবার ও ছোট বাজারে কেনাকাটা খরচ কমায় এবং একটি সামাজিক রুটিন গড়ে তোলে—নিয়মিত বিক্রেতা, পরিচিত কফিশপ, কোনো হস্তশিল্পীর সঙ্গে সম্পর্ক। মূল কথা: মেরামতকে অগ্রাধিকার দিন, বাড়িতে রান্না বাড়ান এবং প্রতি মরসুমে একটি হস্তশিল্পী তৈরি আইটেম নিন—ধীরে ধীরে জীবনধারা বদলে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

স্লো-লিভিং: শহরের ছোট বদলে বড় স্থিতি

০৩:৪০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

সচেতন পছন্দ, ব্যবহারিক জীবনযাপন

স্লো-লিভিং মানে কম কিনে বেশি ব্যবহার করা। একটি মেরামত করা জামা কিনতে যাওয়ার আগে ঠিক করে ফেললে এবং সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে রান্না করলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচে। ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমলেই জায়গা ও মন দুটোই বড় হয়। নিয়মিত ছোট রুটিন—সকালের চা, স্থানীয় বাজার, মাসিক মেরামত—দিনকে সুসংগঠিত করে।

স্থানীয় কারিগর ও টেকসই স্টাইল

স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিস কেনা অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং কারিগরদের দক্ষতা সংরক্ষণ করে। পুনরায় ব্যবহার বা মেরামত সুবিধা দেওয়া নির্মাতাদের নোট করুন। ঋতুভিত্তিক খাবার ও ছোট বাজারে কেনাকাটা খরচ কমায় এবং একটি সামাজিক রুটিন গড়ে তোলে—নিয়মিত বিক্রেতা, পরিচিত কফিশপ, কোনো হস্তশিল্পীর সঙ্গে সম্পর্ক। মূল কথা: মেরামতকে অগ্রাধিকার দিন, বাড়িতে রান্না বাড়ান এবং প্রতি মরসুমে একটি হস্তশিল্পী তৈরি আইটেম নিন—ধীরে ধীরে জীবনধারা বদলে যাবে।