০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

হিউএনচাঙ (পর্ব-১১৩)

সঙ্ঘারামের কর্তৃপক্ষ হিউএনচাঙকে সাদরে গ্রহণ করলেন। তাঁদের মধ্যে চার জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাত যোজন দূর থেকে হিউএনচাঙকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে এলেন। সঙ্ঘারামের কাছে যে বাড়ীতে মৌদগ-ল্যায়ন জন্মেছিলেন বলে প্রসিদ্ধি ছিল সেখানে তিনি একটু বিশ্রাম ও জলযোগ করলেন।

তার পর সেখান থেকে দুইশত ভিক্ষু ও কয়েক সহস্র গৃহস্থ তাঁকে ঘিরে পতাকা, ফুল ও গন্ধদ্রব্য হাতে নিয়ে তাঁর গুণ-গান করতে করতে তাঁকে নালন্দায় প্রবেশ করালেন। সেখানে অন্য সকলে এসে কুশলপ্রশ্নাদি করে তাঁকে স্থবিরের পাশে বসালেন। অন্যরাও বসলেন।

তখন আদেশ পেয়ে, ‘কর্মদান’ (ম্যানেজার) ঘণ্টা বাজিয়ে ঘোষণা করলেন- ‘ধর্মগুরু (হিউএনচাঙ) যতদিন সঙ্ঘারামে থাকবেন, সাধুদের রন্ধনপাত্র ও অন্য সামগ্রী অন্য সকলের মত তাঁরও ব্যবহার করবার ক্ষমতা থাকল।’

তার পর কুড়ি জন সম্ভ্রান্ত অধ্যাপককে বলা হল, ‘এ’কে ধর্মরত্বের কাছে নিয়ে যান।’ শীলভদ্রের প্রতি ভক্তি করে তাঁকে নাম ধরে না ডেকে ‘ধর্মরত্ন’ বলা হত।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

হিউএনচাঙ (পর্ব-১১৩)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

সঙ্ঘারামের কর্তৃপক্ষ হিউএনচাঙকে সাদরে গ্রহণ করলেন। তাঁদের মধ্যে চার জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাত যোজন দূর থেকে হিউএনচাঙকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে এলেন। সঙ্ঘারামের কাছে যে বাড়ীতে মৌদগ-ল্যায়ন জন্মেছিলেন বলে প্রসিদ্ধি ছিল সেখানে তিনি একটু বিশ্রাম ও জলযোগ করলেন।

তার পর সেখান থেকে দুইশত ভিক্ষু ও কয়েক সহস্র গৃহস্থ তাঁকে ঘিরে পতাকা, ফুল ও গন্ধদ্রব্য হাতে নিয়ে তাঁর গুণ-গান করতে করতে তাঁকে নালন্দায় প্রবেশ করালেন। সেখানে অন্য সকলে এসে কুশলপ্রশ্নাদি করে তাঁকে স্থবিরের পাশে বসালেন। অন্যরাও বসলেন।

তখন আদেশ পেয়ে, ‘কর্মদান’ (ম্যানেজার) ঘণ্টা বাজিয়ে ঘোষণা করলেন- ‘ধর্মগুরু (হিউএনচাঙ) যতদিন সঙ্ঘারামে থাকবেন, সাধুদের রন্ধনপাত্র ও অন্য সামগ্রী অন্য সকলের মত তাঁরও ব্যবহার করবার ক্ষমতা থাকল।’

তার পর কুড়ি জন সম্ভ্রান্ত অধ্যাপককে বলা হল, ‘এ’কে ধর্মরত্বের কাছে নিয়ে যান।’ শীলভদ্রের প্রতি ভক্তি করে তাঁকে নাম ধরে না ডেকে ‘ধর্মরত্ন’ বলা হত।

(চলবে)