০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 95

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙকে দেখে সম্রাট খুশী হয়ে বললে- ‘দিনকতক এখানে থাকুন, দু-তিন দিন পরে আমি ফিরে আসছি।’ এই বলে একটা তাঁবুতে তাঁর থাকবার বন্দোবস্ত করে দিয়ে শিকারে গেলেন। শিকার শেষ হলে সম্রাট হিউএনচাঙকে ডেকে পাঠালেন। ‘সম্রাট বাস করতেন একটা প্রকাণ্ড তাঁবুতে। তাতে সোনালি ফুলের এমন কাজ করা যে চোখ ঝলসে যায়।

তুরুস্করা অগ্নির উপাসক, কাঠে সুক্ষ্মভাবে অগ্নি আছে মনে করে এরা কাঠের আসনে বসে না। রাজকর্মচারীরা লম্বা লম্বা মাদুর পেতে তার উপর বসে ছিলেন, প্রত্যেকেরই পরিধানে ব্রোকেডের জমকাল পরিচ্ছদ। যদিও ইনি যাযাবর জাতির রাজা বই নন, চামড়ার তাঁবুতে বাস, তবু তাঁর দিকে চাইলে বিস্ময় ও শ্রদ্ধা উদ্রেক হতেই হয়।’

হিউএনচাঙের ঐ জায়গায় অবস্থানের সময়েই সম্রাট একবার বিদেশী দূতদের অভ্যর্থনা করেন। হিউএনচাঙ তার এই বিবরণ দেন-‘অসভ্য সম্রাট দূতদের বসতে বললেন। এই সময়ে বাজনদারদের বাদ্য আরম্ভহল আর পানীয় আনবার হুকুম হল। বিদেশী দূতদের সঙ্গে সম্রাট মদ্যপান করলেন। অতিথিদের ক্রমশই স্ফূর্তি বাড়তে লাগল।

তারা পরস্পরের পানপাত্র ঠোকাঠুকি করে মদ খাবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে লাগল। এই সময়ে চারিদিক থেকে বাজনা বেজে উঠল। সুরগুলি অর্ধঅসভ্য হলেও কানে মন্দ লাগছিল না। ভালোই লাগছিল। কিছু পরেই নতুন পাত্র এল। অতিথিদের সামনে স্তূপাকারে ভেড়ার আর গোবৎসের সিদ্ধ মাংস রাখা হল।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৫)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৬)

০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙকে দেখে সম্রাট খুশী হয়ে বললে- ‘দিনকতক এখানে থাকুন, দু-তিন দিন পরে আমি ফিরে আসছি।’ এই বলে একটা তাঁবুতে তাঁর থাকবার বন্দোবস্ত করে দিয়ে শিকারে গেলেন। শিকার শেষ হলে সম্রাট হিউএনচাঙকে ডেকে পাঠালেন। ‘সম্রাট বাস করতেন একটা প্রকাণ্ড তাঁবুতে। তাতে সোনালি ফুলের এমন কাজ করা যে চোখ ঝলসে যায়।

তুরুস্করা অগ্নির উপাসক, কাঠে সুক্ষ্মভাবে অগ্নি আছে মনে করে এরা কাঠের আসনে বসে না। রাজকর্মচারীরা লম্বা লম্বা মাদুর পেতে তার উপর বসে ছিলেন, প্রত্যেকেরই পরিধানে ব্রোকেডের জমকাল পরিচ্ছদ। যদিও ইনি যাযাবর জাতির রাজা বই নন, চামড়ার তাঁবুতে বাস, তবু তাঁর দিকে চাইলে বিস্ময় ও শ্রদ্ধা উদ্রেক হতেই হয়।’

হিউএনচাঙের ঐ জায়গায় অবস্থানের সময়েই সম্রাট একবার বিদেশী দূতদের অভ্যর্থনা করেন। হিউএনচাঙ তার এই বিবরণ দেন-‘অসভ্য সম্রাট দূতদের বসতে বললেন। এই সময়ে বাজনদারদের বাদ্য আরম্ভহল আর পানীয় আনবার হুকুম হল। বিদেশী দূতদের সঙ্গে সম্রাট মদ্যপান করলেন। অতিথিদের ক্রমশই স্ফূর্তি বাড়তে লাগল।

তারা পরস্পরের পানপাত্র ঠোকাঠুকি করে মদ খাবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে লাগল। এই সময়ে চারিদিক থেকে বাজনা বেজে উঠল। সুরগুলি অর্ধঅসভ্য হলেও কানে মন্দ লাগছিল না। ভালোই লাগছিল। কিছু পরেই নতুন পাত্র এল। অতিথিদের সামনে স্তূপাকারে ভেড়ার আর গোবৎসের সিদ্ধ মাংস রাখা হল।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৫)