০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 103

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সম্রাটকে রাজী হতেই হল। তিনি এক দোভাষীকে দিয়ে কাপিশীর রাজার নিকট সুপারিশ পত্র লিখিয়ে দিলেন। আর দোভাষীকে হুকুম দিলেন যে, সে স্বয়ং ধর্মগুরুর সঙ্গে কাবুল উপত্যকায় কাপিশী পর্যন্ত ঐ চিঠিগুলো নিয়ে যাবে। হিউএনচাঙকে শিরোপা দিয়ে নিজে তাঁকে পথে খানিকদূর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে এলেন।

এই ক্ষমতাশালী তুরুস্ক সম্রাটের সহায়তা না পেলে হিউএনচাঙের পক্ষে পামির আর তুখারদেশ পার হওয়া সহজ হত না। আশ্চর্যের বিষয়, এই বৎসরের শেষভাগেই এই সম্রাট হত্যাকারীর হাতে নিহত হন আর তার পর থেকেই পশ্চিম তুরুস্ক সাম্রাজ্যের পতন আরম্ভ হয়।

হিউএনচাঙ আবার পশ্চিমদিকে অগ্রসর হলেন। যে সমতলে চু নদীর দশ শাখা আর কুরাগতি নদীর নয় প্রশাখা প্রবাহিত সে সমতল পার হলেন। তখনও আর আজও তার নাম ‘সহস্রধারা’ (মিনবুলাক)। ‘এই দেশ লম্বায় চওড়ায় ৫০ মাইল। দক্ষিণে পর্বত, অন্য তিনদিকে সম-তল। প্রচুর জল আর উঁচু উঁচু বিশাল অরণ্য। বসন্তকালে শত সহস্র ফুল সমতলে ফুটে ওঠে।

প্রচুর জলাশয় থাকায় এ স্থানের নাম সহস্রধারা। সম্রাট প্রত্যেক বছর গরমের সময় এখানে আসেন। দলে দলে হরিণ ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের গলায় ঘণ্টা আর আংটি বাঁধা। সম্রাট হুকুম দিয়েছেন যে, এই হরিণ কেউ মারলে তার মৃত্যুদণ্ড হবে। তাই এরা মানুষ দেখে ভয় পায় না আর মৃত্যু পর্যন্ত শান্তিতে থাকতে পারে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৭)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৮)

০৯:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সম্রাটকে রাজী হতেই হল। তিনি এক দোভাষীকে দিয়ে কাপিশীর রাজার নিকট সুপারিশ পত্র লিখিয়ে দিলেন। আর দোভাষীকে হুকুম দিলেন যে, সে স্বয়ং ধর্মগুরুর সঙ্গে কাবুল উপত্যকায় কাপিশী পর্যন্ত ঐ চিঠিগুলো নিয়ে যাবে। হিউএনচাঙকে শিরোপা দিয়ে নিজে তাঁকে পথে খানিকদূর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে এলেন।

এই ক্ষমতাশালী তুরুস্ক সম্রাটের সহায়তা না পেলে হিউএনচাঙের পক্ষে পামির আর তুখারদেশ পার হওয়া সহজ হত না। আশ্চর্যের বিষয়, এই বৎসরের শেষভাগেই এই সম্রাট হত্যাকারীর হাতে নিহত হন আর তার পর থেকেই পশ্চিম তুরুস্ক সাম্রাজ্যের পতন আরম্ভ হয়।

হিউএনচাঙ আবার পশ্চিমদিকে অগ্রসর হলেন। যে সমতলে চু নদীর দশ শাখা আর কুরাগতি নদীর নয় প্রশাখা প্রবাহিত সে সমতল পার হলেন। তখনও আর আজও তার নাম ‘সহস্রধারা’ (মিনবুলাক)। ‘এই দেশ লম্বায় চওড়ায় ৫০ মাইল। দক্ষিণে পর্বত, অন্য তিনদিকে সম-তল। প্রচুর জল আর উঁচু উঁচু বিশাল অরণ্য। বসন্তকালে শত সহস্র ফুল সমতলে ফুটে ওঠে।

প্রচুর জলাশয় থাকায় এ স্থানের নাম সহস্রধারা। সম্রাট প্রত্যেক বছর গরমের সময় এখানে আসেন। দলে দলে হরিণ ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের গলায় ঘণ্টা আর আংটি বাঁধা। সম্রাট হুকুম দিয়েছেন যে, এই হরিণ কেউ মারলে তার মৃত্যুদণ্ড হবে। তাই এরা মানুষ দেখে ভয় পায় না আর মৃত্যু পর্যন্ত শান্তিতে থাকতে পারে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৭)