০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • 135

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এখানকার ভিক্ষুরা হীনযানী হলেও তাঁরা বেশ জ্ঞানী ছিলেন আর ধর্মগুরুর সঙ্গে তাঁদের বেশ বনিবনাও হল। এমন কি, হিউএনচাঙ বলেন যে, এখানে প্রজ্ঞাকর নামে এক পণ্ডিতের মুখে কাত্যায়নের ‘অভি-ধর্ম’ আর ‘বিভাষাসূত্রের’ কঠিন জায়গার ব্যাখ্যা শুনে তিনি খুব উপকৃত হন। তিনি একমাস এখানে বাস ক’রে হীনযানের বিভাষা শাস্ত্র অধ্যয়ন করলেন।

বাহুলীকের পর ধর্মগুরু হিন্দুকুশের ভিতরে প্রবেশ করলেন। এই পর্বত অতিক্রম করা খুব কষ্টকর হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এই পথ তুষারনদ আর মরুভূমির পথ থেকে দ্বিগুণ কঠিন। সর্বত্র সবসময়েই তুষারের ঘূর্ণী ঝড় বইছে। পর্বতের দৈত্য-দানব, দস্যুরা লোককে খুব কষ্ট দেয়।’

অবশেষে হিউএনচাঙ হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণীর এক উপত্যকায় বামিয়ানে উপস্থিত হলেন। এখানেও রাজা ও ভিক্ষুরা শহরের বাইরে এসে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে গেলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪২)

০৯:০০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এখানকার ভিক্ষুরা হীনযানী হলেও তাঁরা বেশ জ্ঞানী ছিলেন আর ধর্মগুরুর সঙ্গে তাঁদের বেশ বনিবনাও হল। এমন কি, হিউএনচাঙ বলেন যে, এখানে প্রজ্ঞাকর নামে এক পণ্ডিতের মুখে কাত্যায়নের ‘অভি-ধর্ম’ আর ‘বিভাষাসূত্রের’ কঠিন জায়গার ব্যাখ্যা শুনে তিনি খুব উপকৃত হন। তিনি একমাস এখানে বাস ক’রে হীনযানের বিভাষা শাস্ত্র অধ্যয়ন করলেন।

বাহুলীকের পর ধর্মগুরু হিন্দুকুশের ভিতরে প্রবেশ করলেন। এই পর্বত অতিক্রম করা খুব কষ্টকর হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এই পথ তুষারনদ আর মরুভূমির পথ থেকে দ্বিগুণ কঠিন। সর্বত্র সবসময়েই তুষারের ঘূর্ণী ঝড় বইছে। পর্বতের দৈত্য-দানব, দস্যুরা লোককে খুব কষ্ট দেয়।’

অবশেষে হিউএনচাঙ হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণীর এক উপত্যকায় বামিয়ানে উপস্থিত হলেন। এখানেও রাজা ও ভিক্ষুরা শহরের বাইরে এসে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে গেলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)