০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • 203

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শ্রমণদের কেবল তিন পরিচ্ছদ (সংঘটি, সংকক্ষিকা, নিবাসন)।আকারে সম্প্রদায় অনুসারে অল্প প্রভেদ হয়। হলদে লাল দু রঙেরই আছে। সাধারণ ক্ষত্রিয় আর ব্রাহ্মণরা পরিচ্ছন্ন সভ্য পরিচ্ছদ পরেন আর সাদাসিধে ও মিতব্যয়ীভাবে থাকেন। রাজা আর মহামন্ত্রীরা হাতে গলায় অলংকার পরেন। রত্নখচিত মুকুট পরেন, মাথায় ফুলের মালা পরেন।

স্বর্ণালংকার-ব্যবসায়ী ও অন্য ধনী বণিকরা বেশীর ভাগ নগ্নপদেই থাকেন। কম লোকেই পাদুকা ব্যবহার করেন। এঁদের দাঁতে কালো বা লাল রঙ করা (পানের জন্যে?)। এঁরা চুল বাঁধেন আর কর্ণবেধ করেন, নাকে গহনা পরেন। এঁদের বড় বড় চোখ।

এঁরা শারীরিক পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে খুব মনোযোগী। খাবার আগে সকলেই স্নান করেন। ভুক্তাবশেষ খান না। অপরের খাওয়া খাদ্য খান না। মাটি বা কাঠের বাসনে খেলে সেগুলি ভাঙতেই হয়। খাবার পর এরা দাঁতন ক’রে হাত-মুখ ধোন।

এঁটো হাতে কাউকে ছোঁয়া হয় না। শৌচের পর শরীর ধুয়ে চন্দন কাঠ বা হলুদের গন্ধ মাখা হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৮)

০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শ্রমণদের কেবল তিন পরিচ্ছদ (সংঘটি, সংকক্ষিকা, নিবাসন)।আকারে সম্প্রদায় অনুসারে অল্প প্রভেদ হয়। হলদে লাল দু রঙেরই আছে। সাধারণ ক্ষত্রিয় আর ব্রাহ্মণরা পরিচ্ছন্ন সভ্য পরিচ্ছদ পরেন আর সাদাসিধে ও মিতব্যয়ীভাবে থাকেন। রাজা আর মহামন্ত্রীরা হাতে গলায় অলংকার পরেন। রত্নখচিত মুকুট পরেন, মাথায় ফুলের মালা পরেন।

স্বর্ণালংকার-ব্যবসায়ী ও অন্য ধনী বণিকরা বেশীর ভাগ নগ্নপদেই থাকেন। কম লোকেই পাদুকা ব্যবহার করেন। এঁদের দাঁতে কালো বা লাল রঙ করা (পানের জন্যে?)। এঁরা চুল বাঁধেন আর কর্ণবেধ করেন, নাকে গহনা পরেন। এঁদের বড় বড় চোখ।

এঁরা শারীরিক পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে খুব মনোযোগী। খাবার আগে সকলেই স্নান করেন। ভুক্তাবশেষ খান না। অপরের খাওয়া খাদ্য খান না। মাটি বা কাঠের বাসনে খেলে সেগুলি ভাঙতেই হয়। খাবার পর এরা দাঁতন ক’রে হাত-মুখ ধোন।

এঁটো হাতে কাউকে ছোঁয়া হয় না। শৌচের পর শরীর ধুয়ে চন্দন কাঠ বা হলুদের গন্ধ মাখা হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৭)