০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • 305

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভিক্ষু অসাধু হলে নির্বাসিত হন। তাঁর দূতরা রাজকার্যে সর্বদাই যাতায়াত করে। লোকের স্বভাব পরীক্ষা করবার জন্যে তিনি লোকের সঙ্গে মেশেন। রাজধানী ছেড়ে যেখানেই যান, একটি সদ্যপ্রস্তুত আবাসে থাকেন। বর্ষার তিন মাস সফরে যান না। সফরের প্রাসাদে সর্বদাই সব ধর্মাবলম্বীকেই ভোজ্য দেন।

বৌদ্ধ ভিক্ষুরা হয়তো সংখ্যায় এক হাজার হলেন, ব্রাহ্মণরা পাঁচ শত। প্রত্যেক দিনমান তিনি তিন ভাগ করেন। প্রথম ভাগে রাজকার্য করেন। দ্বিতীয় ভাগে নিরবচ্ছিন্নভাবে পুণ্য কাজে লিপ্ত থাকেন।’

হর্ষবর্ধন তাঁর তাম্রশাসনগুলিতে নিজেকে শৈব ব’লে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ৬০৬ খৃস্টাব্দ থেকে ৬৪৬ খৃস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। হয়তো জীবনের শেষভাগে তিনি বৌদ্ধ বা বৌদ্ধভাবাপন্ন হয়েছিলেন, কিন্তু হিউএনচাঙের কথায়ই বোঝা যায় যে, কোনো ধর্মেই তাঁর বিদ্বেষ ছিল না।

এইবারে কান্যকুজে হিউএনচাঙ সম্রাটের সাক্ষাৎ পান নি। হয়তো তিনি রাজধানীতে ছিলেন না। যাহোক ৬৩৬ খৃস্টাব্দে তিন মাস হিউএনচাঙ এখানে ভদ্র-বিহার মঠে থেকে আচার্য বীর্যসেনের কাছে ত্রিপিটক গ্রন্থগুলির ভাষ্য আবার পাঠ করেন।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৩)

০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভিক্ষু অসাধু হলে নির্বাসিত হন। তাঁর দূতরা রাজকার্যে সর্বদাই যাতায়াত করে। লোকের স্বভাব পরীক্ষা করবার জন্যে তিনি লোকের সঙ্গে মেশেন। রাজধানী ছেড়ে যেখানেই যান, একটি সদ্যপ্রস্তুত আবাসে থাকেন। বর্ষার তিন মাস সফরে যান না। সফরের প্রাসাদে সর্বদাই সব ধর্মাবলম্বীকেই ভোজ্য দেন।

বৌদ্ধ ভিক্ষুরা হয়তো সংখ্যায় এক হাজার হলেন, ব্রাহ্মণরা পাঁচ শত। প্রত্যেক দিনমান তিনি তিন ভাগ করেন। প্রথম ভাগে রাজকার্য করেন। দ্বিতীয় ভাগে নিরবচ্ছিন্নভাবে পুণ্য কাজে লিপ্ত থাকেন।’

হর্ষবর্ধন তাঁর তাম্রশাসনগুলিতে নিজেকে শৈব ব’লে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ৬০৬ খৃস্টাব্দ থেকে ৬৪৬ খৃস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। হয়তো জীবনের শেষভাগে তিনি বৌদ্ধ বা বৌদ্ধভাবাপন্ন হয়েছিলেন, কিন্তু হিউএনচাঙের কথায়ই বোঝা যায় যে, কোনো ধর্মেই তাঁর বিদ্বেষ ছিল না।

এইবারে কান্যকুজে হিউএনচাঙ সম্রাটের সাক্ষাৎ পান নি। হয়তো তিনি রাজধানীতে ছিলেন না। যাহোক ৬৩৬ খৃস্টাব্দে তিন মাস হিউএনচাঙ এখানে ভদ্র-বিহার মঠে থেকে আচার্য বীর্যসেনের কাছে ত্রিপিটক গ্রন্থগুলির ভাষ্য আবার পাঠ করেন।

(চলবে)