১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার মেধাতালিকা ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ হাইকোর্টের

৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগপ্রত্যাশীদের মেধাভিত্তিক ফলাফল ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মী রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৪৩তম বিসিএসের ৪৬৫ জন নন-ক্যাডার প্রার্থীর করা রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব।

রিটের পটভূমি

রিট আবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় মোট ৯ হাজার ৮৪১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

পরে ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নন-ক্যাডার পদে আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে পছন্দক্রম আহ্বান করে পিএসসি। এর ধারাবাহিকতায় একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর কমিশন ২ হাজার ১৬৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডার পদে এবং ৬৪২ জনকে নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ করে।

তবে রিটকারীদের অভিযোগ, নন-ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকা প্রকাশ না করেই সুপারিশ করা হয়েছে, যা সংশোধিত নন-ক্যাডার নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা, ২০১০-এর বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

মেধাতালিকা প্রকাশ নিয়ে আপত্তি

রিটে বলা হয়, বিধিমালা অনুযায়ী ক্যাডার পদে শূন্যপদের সীমাবদ্ধতার কারণে নিয়োগ না পাওয়া যোগ্য প্রার্থীদের মেধাক্রম অনুসারে পর্যায়ক্রমে নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ করার কথা। এ প্রক্রিয়া পরবর্তী বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকার বিধান রয়েছে।

রিটকারীদের দাবি, পিএসসি পূর্ণাঙ্গ নন-ক্যাডার ফলাফল প্রকাশ না করে সরাসরি প্রার্থীদের পছন্দক্রম গ্রহণ এবং নিয়োগের সুপারিশ করেছে, যা বিদ্যমান নিয়োগবিধির লঙ্ঘন।

আদালতের আগের নির্দেশনা

এ মামলায় ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি রিট আবেদন করা হয়। পরে ৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

একই সঙ্গে ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদ সংরক্ষণের নির্দেশনা চাওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর আদালত ৪৩তম বিসিএসের আওতায় থাকা ৮ হাজার ৫০১টি নন-ক্যাডার পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন।

প্রার্থীদের ক্ষতির অভিযোগ

শুনানিতে ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব আদালতকে জানান, দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সফল প্রার্থী ইতোমধ্যে অন্যান্য সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা অতিক্রম করেছেন।

তিনি যুক্তি দেন, পূর্ণাঙ্গ নন-ক্যাডার ফলাফল প্রকাশ না করে নিয়োগের সুপারিশ করা নিয়োগবিধির স্পষ্ট ব্যত্যয়। পাশাপাশি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কারণে হাজারো মেধাবী চাকরিপ্রার্থীর আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।

হাইকোর্টের সর্বশেষ নির্দেশনার ফলে ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধাভিত্তিক ফলাফল প্রকাশের পথ আরও সুস্পষ্ট হলো বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার মেধাতালিকা প্রকাশে হাইকোর্টের নির্দেশ

৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীদের মেধাতালিকা ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে পিএসসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার মেধাতালিকা ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ হাইকোর্টের

০৮:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগপ্রত্যাশীদের মেধাভিত্তিক ফলাফল ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মী রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৪৩তম বিসিএসের ৪৬৫ জন নন-ক্যাডার প্রার্থীর করা রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব।

রিটের পটভূমি

রিট আবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় মোট ৯ হাজার ৮৪১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

পরে ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নন-ক্যাডার পদে আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে পছন্দক্রম আহ্বান করে পিএসসি। এর ধারাবাহিকতায় একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর কমিশন ২ হাজার ১৬৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডার পদে এবং ৬৪২ জনকে নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ করে।

তবে রিটকারীদের অভিযোগ, নন-ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকা প্রকাশ না করেই সুপারিশ করা হয়েছে, যা সংশোধিত নন-ক্যাডার নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা, ২০১০-এর বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

মেধাতালিকা প্রকাশ নিয়ে আপত্তি

রিটে বলা হয়, বিধিমালা অনুযায়ী ক্যাডার পদে শূন্যপদের সীমাবদ্ধতার কারণে নিয়োগ না পাওয়া যোগ্য প্রার্থীদের মেধাক্রম অনুসারে পর্যায়ক্রমে নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ করার কথা। এ প্রক্রিয়া পরবর্তী বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকার বিধান রয়েছে।

রিটকারীদের দাবি, পিএসসি পূর্ণাঙ্গ নন-ক্যাডার ফলাফল প্রকাশ না করে সরাসরি প্রার্থীদের পছন্দক্রম গ্রহণ এবং নিয়োগের সুপারিশ করেছে, যা বিদ্যমান নিয়োগবিধির লঙ্ঘন।

আদালতের আগের নির্দেশনা

এ মামলায় ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি রিট আবেদন করা হয়। পরে ৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

একই সঙ্গে ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদ সংরক্ষণের নির্দেশনা চাওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর আদালত ৪৩তম বিসিএসের আওতায় থাকা ৮ হাজার ৫০১টি নন-ক্যাডার পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন।

প্রার্থীদের ক্ষতির অভিযোগ

শুনানিতে ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব আদালতকে জানান, দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সফল প্রার্থী ইতোমধ্যে অন্যান্য সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা অতিক্রম করেছেন।

তিনি যুক্তি দেন, পূর্ণাঙ্গ নন-ক্যাডার ফলাফল প্রকাশ না করে নিয়োগের সুপারিশ করা নিয়োগবিধির স্পষ্ট ব্যত্যয়। পাশাপাশি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কারণে হাজারো মেধাবী চাকরিপ্রার্থীর আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।

হাইকোর্টের সর্বশেষ নির্দেশনার ফলে ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধাভিত্তিক ফলাফল প্রকাশের পথ আরও সুস্পষ্ট হলো বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার মেধাতালিকা প্রকাশে হাইকোর্টের নির্দেশ

৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীদের মেধাতালিকা ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে পিএসসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।