চীনের সামরিক বাহিনীর মুখপত্রে প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে জাপানের দ্রুত বাড়তে থাকা ড্রোন সক্ষমতা নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জাপান আক্রমণাত্মক ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে এমন একটি সামরিক সক্ষমতা গড়ে তুলছে, যা পূর্ব এশিয়ার শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।
ড্রোন সক্ষমতা নিয়ে চীনের উদ্বেগ
চীনা সামরিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জাপান দীর্ঘদিন ধরেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সংবিধানে থাকা আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা অতিক্রমের পথ খুঁজছে। সেই প্রেক্ষাপটে আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তিকে একটি কার্যকর উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মানববিহীন আকাশযান ও অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় সামরিক প্ল্যাটফর্মের বিকাশ জাপানকে প্রচলিত সামরিক সীমাবদ্ধতার বাইরে নতুন সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কবার্তা
চীনের সামরিক মুখপত্রে প্রকাশিত বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জাপানের এই সামরিক আধুনিকীকরণ শুধু দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন নয়, বরং পুরো অঞ্চলের কৌশলগত ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে অবিশ্বাস ও নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাড়ছে নজরদারি
বিশ্লেষকদের মতে, পূর্ব এশিয়ায় সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা দিন দিন তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অস্ত্র এবং স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধব্যবস্থার উন্নয়নকে ঘিরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে কৌশলগত প্রতিযোগিতা নতুন মাত্রা পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জাপানের ড্রোন কর্মসূচি নিয়ে চীনের প্রকাশ্য সতর্কবার্তা দুই দেশের বিদ্যমান উত্তেজনাকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
জাপানের ড্রোন সক্ষমতা নিয়ে চীনের সতর্কবার্তা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সামরিক ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















