ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে শুক্রবার একই দিনে সাতটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, যার মধ্যে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও ইথিওপিয়ার নেতাদের সঙ্গে আলোচনা। দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে দিনভর চলে এই কূটনৈতিক ব্যস্ততা।
আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ, খনিজ সম্পদ, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। মোদী বলেন, পশ্চিম এশিয়ার অস্থির সময়ে ভারত-আমিরাত সম্পর্ক স্থিতিশীলতা ও শান্তির প্রতীক হয়ে থাকবে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, সেমিকন্ডাক্টর ও ডিজিটাল অর্থনীতি নিয়ে কথা হয়, আর সাবাহ রাজ্যের কোটা কিনাবালুতে
ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী লে মিন হুংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্বের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন দুই নেতা। ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলীর সঙ্গে বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়, যা গত ডিসেম্বরে মোদীর আদ্দিস আবাবা সফরের ধারাবাহিকতা।
একই দিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও দিল্লিতে উপস্থিত ছিলেন, যদিও মোদীর সঙ্গে তাঁদের বৈঠকের বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে সূত্রে জানা গেছে। কূটনীতিকদের মতে, একদিনে এতগুলো বৈঠক ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক কূটনৈতিক ওজনেরই প্রতিফলন।
হায়দরাবাদ হাউসের একের পর এক বৈঠক কক্ষ ঘুরে বেড়ানো মোদীর এই দিনটি যেন প্রমাণ করে দিল, ব্রিকসের মঞ্চ এখন শুধু বৃহৎ শক্তির নয়, মাঝারি ও উদীয়মান অর্থনীতিরও কূটনৈতিক দর কষাকষির জায়গা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















