ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভকারীরা ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের একাধিক স্থানে অবরোধ সৃষ্টি করেন। এতে দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট
বিক্ষোভকারীরা সড়কের ওপর বাঁশ, কাঠ ও অন্যান্য প্রতিবন্ধক বসিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। ফলে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক এবং জরুরি সেবার যানবাহন আটকে পড়ে। অনেক যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় অপেক্ষা করতে বাধ্য হন।
জনভোগান্তি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি
অবরোধের কারণে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং রোগীবাহী যানবাহন মারাত্মক সমস্যায় পড়ে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে বিক্ষোভকারীরা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার এবং দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে অনড় অবস্থান নেন, ফলে উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হয়।












