লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় মধ্যরাতে এক আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠলেও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাতীবান্ধা উপজেলার সির্ন্দুনা এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন তাজুর বাসায় যান হাতীবান্ধা থানার ওসি মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। মধ্যরাতে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার এমন উপস্থিতি দেখে স্থানীয়দের মধ্যে গোপন বৈঠকের সন্দেহ তৈরি হয়।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
গোপন বৈঠকের আশঙ্কায় স্থানীয় লোকজন ওই বাড়ির সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। তাদের উপস্থিতির খবর পেয়ে বাসায় থাকা কয়েকজন দ্রুত সেখান থেকে সরে যান। এ ঘটনার পর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনার তীব্রতা বাড়ে।
পুলিশের অবস্থান
ওসি মোহাম্মদ আমানুল্লাহর সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একইভাবে ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতেও তিনি এড়িয়ে যান।
পরিবারের বক্তব্য
অন্যদিকে আলোচনায় থাকা আওয়ামী লীগ নেতা আমজাদ হোসেন তাজুর পরিবারের পক্ষ থেকে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তার স্ত্রী শাপলা আক্তার জানান, সেখানে কোনো গোপন বৈঠক হয়নি। বাসায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল এবং সেই দাওয়াতে পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
উর্ধ্বতন কর্মকর্তার ব্যাখ্যা
লালমনিরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) জয়ন্ত কুমান সেন বলেন, ওই বাসায় এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা দাওয়াতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেই ওসি মোহাম্মদ আমানুল্লাহ সেখানে যান।
সামগ্রিক পরিস্থিতি
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা জল্পনা-কল্পনা চললেও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই গোপন বৈঠকের অভিযোগ নিশ্চিত করা হয়নি। তবে মধ্যরাতে রাজনৈতিক নেতার বাসায় পুলিশের উপস্থিতি স্থানীয়ভাবে কৌতূহল ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।












