এসব ঘটনার পর ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যক্রম নিয়েই নানা আলোচনা হচ্ছে। বিশেষ কিছু মামলায় বিশেষ কিছু সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি এক্ষেত্রে আলোচনায় এনেছেন মি. মাহমুদ।

এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাবন্দি এক আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য পরিবারের কাছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটরের এক কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে একটি অডিও রেকর্ড গত দশই মার্চ সংবাদ মাধ্যমে ফাঁস হলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

সেদিনই এ বিষয়ে একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। তবে বিবিসি বাংলা সেই অডিও রেকর্ড যাচাই করতে পারেনি।

যার বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সেই ব্যক্তি মো. সাইমুম রেজা তালুকদার তার আগেই পদত্যাগ করেছিলেন।

মি. তালুকদার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, “সরকার আইনি প্রক্রিয়ায় গেলে সেটি ফেইস করবো।”

ঘুষ দাবির এই অভিযোগের বিষয়ে তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের কাছে আসামির পরিবার অভিযোগ করেছিলেন বলে তখন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছিল।

পরে তিনিই প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারকে ওই মামলা থেকে সরিয়ে দেন। তবে কোন তদন্ত হয়নি।

তানভির হাসান জোহা বলছেন, এখন হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের বিষয়টিও ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি তদন্ত করছে। যদিও গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলছেন, এমন কোনো বিষয় ওই কমিটি তদন্ত করছে না।

এই বিতর্কের মধ্যে এখন সবার দৃষ্টি হলো তদন্ত কমিটির দিকে। তবে কমিটি কবে নাগাদ রিপোর্ট দিবে বা তদন্তে কী পাওয়া গেলো জানার জন্য চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের সাথে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।