বাংলাদেশে ব্যাংকিং, টেলিযোগাযোগ ও সরকারি সেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বিদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতা। এখন সফটওয়্যার বা যন্ত্রপাতি কেনার সময় দামের পাশাপাশি তথ্যের নিরাপত্তা এবং দীর্ঘদিন সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বণিক বার্তার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেলিযোগাযোগের বাইরে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্যকেন্দ্র, ক্লাউড ও আর্থিক খাতের প্রযুক্তিতে ব্যবসা বাড়াতে চাইছে। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি আগে থেকেই রয়েছে।
একটি ব্যাংক, অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি
ব্যাংকের মূল সফটওয়্যার এক প্রতিষ্ঠানের হলেও সার্ভার, তথ্য সংরক্ষণের যন্ত্র ও নেটওয়ার্ক আসতে পারে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে। তাই একটি সেবা চালু রাখতেই একাধিক সরবরাহকারীর ওপর নির্ভর করতে হয়।
নতুন প্রতিযোগী এলে খরচ কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে সফটওয়্যার হালনাগাদ, যন্ত্রাংশ ও কারিগরি সহায়তা নিয়মিত পাওয়া যাবে কি না, সেটিও বিবেচনায় রাখতে হয়।
তথ্যের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক বাণিজ্যসংক্রান্ত যৌথ বিবৃতিতে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা ও সরবরাহব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখার বিষয় রয়েছে। নির্দিষ্ট প্রযুক্তির ওপর কোনো বিধিনিষেধ প্রযোজ্য কি না, তা সংশ্লিষ্ট পণ্য ও নিয়মের ওপর নির্ভর করে।
প্রযুক্তি নির্বাচনে তাই কয়েকটি প্রশ্ন সামনে আসছে: তথ্য কোথায় থাকবে, কারা তা ব্যবহারের অনুমতি পাবেন এবং প্রয়োজনে অন্য প্রতিষ্ঠানের সেবা নেওয়া কতটা সহজ হবে।












