এল নিনোর বাড়তি গরমে বিশ্বজুড়ে স্বাভাবিক বছরের তুলনায় ৪ লাখ ৫১ হাজার মানুষের অতিরিক্ত মৃত্যু হতে পারে। ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের এই পূর্বাভাস ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের জন্য।
তাপমাত্রার পূর্বাভাস এবং গরমের সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে হিসাবটি করা হয়েছে। এটি ইতিমধ্যে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা নয়।

বেশি ঝুঁকিতে কোথায়
গবেষকদের হিসাবে, আফ্রিকার সাহেল অঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভারত ও ব্রাজিলের বিভিন্ন এলাকায় প্রভাব বেশি হতে পারে। তবে সব এলাকায় একই সময়ে বা একই মাত্রায় ঝুঁকি থাকবে না।
আগাম ব্যবস্থা নিলে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব
গবেষকেরা বলছেন, গরমের আগাম সতর্কবার্তা, ঝুঁকিতে থাকা মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো এবং ঠান্ডা জায়গায় আশ্রয় ও পানির ব্যবস্থা মৃত্যুঝুঁকি কমাতে পারে। বাইরে কর্মরত মানুষের সুরক্ষাও জরুরি।
পূর্বাভাসে অনিশ্চয়তা রয়েছে। গবেষণাটির লক্ষ্য, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।












