০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

ইইউ’র সতর্কতা: যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু নীতিপিছুটায় কপ৩০-এর গতি কমতে পারে

বেলেম সম্মেলনের আগে উদ্বেগ
ইউরোপীয় কমিশনার ভপকে হোকস্ত্রা যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসাকে ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, কপ৩০-এ মার্কিন নেতৃত্ব অনুপস্থিত থাকলে বৈশ্বিক ঐকমত্য দুর্বল হবে। তবু যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ও বেসরকারি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রগতি কিছুটা ভারসাম্য আনতে পারে। ইউরোপীয় আলোচকরা দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে অটল থাকার বার্তা দিয়েছেন।

নতুন সবুজ অংশীদারিত্বের সুযোগ
হোকস্ত্রা মনে করেন, এ পরিবর্তন নতুন সুযোগও এনে দিয়েছে। অন্যান্য দেশ ব্যাটারি, গ্রিড ও সবুজ শিল্পনীতিতে নতুন জোট গড়তে পারে। কমে আসা নবায়নযোগ্য জ্বালানির খরচ বাণিজ্য-বিন্যাস বদলে দিচ্ছে। বেলেম সম্মেলনে অভিযোজন তহবিল, মিথেন নিয়ন্ত্রণ ও টেকসই অবকাঠামো গড়ার বাস্তব ফলাফলই হবে মূল পরীক্ষা—ওয়াশিংটন ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু সহযোগিতা কতটা টিকে থাকে, সেটিই এখন দেখার।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

ইইউ’র সতর্কতা: যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু নীতিপিছুটায় কপ৩০-এর গতি কমতে পারে

০৫:০৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

বেলেম সম্মেলনের আগে উদ্বেগ
ইউরোপীয় কমিশনার ভপকে হোকস্ত্রা যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসাকে ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, কপ৩০-এ মার্কিন নেতৃত্ব অনুপস্থিত থাকলে বৈশ্বিক ঐকমত্য দুর্বল হবে। তবু যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ও বেসরকারি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রগতি কিছুটা ভারসাম্য আনতে পারে। ইউরোপীয় আলোচকরা দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে অটল থাকার বার্তা দিয়েছেন।

নতুন সবুজ অংশীদারিত্বের সুযোগ
হোকস্ত্রা মনে করেন, এ পরিবর্তন নতুন সুযোগও এনে দিয়েছে। অন্যান্য দেশ ব্যাটারি, গ্রিড ও সবুজ শিল্পনীতিতে নতুন জোট গড়তে পারে। কমে আসা নবায়নযোগ্য জ্বালানির খরচ বাণিজ্য-বিন্যাস বদলে দিচ্ছে। বেলেম সম্মেলনে অভিযোজন তহবিল, মিথেন নিয়ন্ত্রণ ও টেকসই অবকাঠামো গড়ার বাস্তব ফলাফলই হবে মূল পরীক্ষা—ওয়াশিংটন ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু সহযোগিতা কতটা টিকে থাকে, সেটিই এখন দেখার।