০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 103

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

পাথরের তল এবং অন্যান্য অংশ মসৃণ করার জন্য ভেজা বালি ব্যবহার করা হত। এছাড়া কখনো কখনো পাথরের ছোট বল-এর মত দিয়ে জোরে জোরে ঘসা হত। কুজকো শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে দেয়াল তৈরির জন্য পাথর কেটে এমন সব সমান সমান সাইজ বার করা হত যার মধ্যে শৈল্পিক ও নান্দনিক বিচার বোধের পরিচয় লক্ষ্য করা যেত।

এই পাথর কাটার বিশেষ দক্ষতাকে ইনকারা নাম দিয়েছিল সেলুলার পরিগোনাল (Cellular Polygonal)। সাপা ইনকা (Sapa Inca) দের মধ্যে শহরের মধ্যে প্রাসাদোপম বাড়ি তৈরী করার প্রথা চালু ছিল। আসলে চারপাশে থাকত বড় খোলা জমি। এই সব বড় বাড়িতে বাস করত সাপা ইনকা এবং তাদের রাণীরা। চারদিকের বাড়িতে থাকত তাদের চাকর চাকরানীরা।

কুজকো: শহর রাজধানী: ইনকা সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র হল কুজকো শহর। সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় লোকাচার প্রায় সব দিকেই কুজকো শহরের প্রসঙ্গ ও ভূমিকা উল্লেখ করার মত। খ্রিষ্টীয় দ্বাদশ শতকে মানকো কাপাক এই শহরটির গোড়াপত্তন করেন। এই মানকোকে ইনকারা সূর্যের পুত্র বলে মনে করেন। কুজকো শহরটির শব্দগত উৎপত্তি কেচুয়াভাষায় পাওয়া যায়। কেচুয়াতে শব্দটি কোসকো (Qosqo)। যার অর্থ হল পৃথিবীর নৌসেনাকেন্দ্র (The Earth’s naval)।

এই কুজকো শহরে নাকি মানকো কাপাক একটি সোনার দণ্ড পুঁতে রেখে ছিলেন কুজকো শহরের অগ্রগতিতে নতুনমাত্রা যোগ করেছিলেন নবম ইনকা সম্রাট পাচাকুতেক (Pachacutec)। এই ইনকা সম্রাট শহরটিকে এমন ভৌগোলিক আকার দিতে চেয়েছিলেন যেখানে থাকবে প্রসারিত নদী, পাশেই কৃষিজমি, লম্বা সমতল রাস্তা এবং বেশ কয়েকটি বড় দালান।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৩)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৩)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

১০:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

পাথরের তল এবং অন্যান্য অংশ মসৃণ করার জন্য ভেজা বালি ব্যবহার করা হত। এছাড়া কখনো কখনো পাথরের ছোট বল-এর মত দিয়ে জোরে জোরে ঘসা হত। কুজকো শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে দেয়াল তৈরির জন্য পাথর কেটে এমন সব সমান সমান সাইজ বার করা হত যার মধ্যে শৈল্পিক ও নান্দনিক বিচার বোধের পরিচয় লক্ষ্য করা যেত।

এই পাথর কাটার বিশেষ দক্ষতাকে ইনকারা নাম দিয়েছিল সেলুলার পরিগোনাল (Cellular Polygonal)। সাপা ইনকা (Sapa Inca) দের মধ্যে শহরের মধ্যে প্রাসাদোপম বাড়ি তৈরী করার প্রথা চালু ছিল। আসলে চারপাশে থাকত বড় খোলা জমি। এই সব বড় বাড়িতে বাস করত সাপা ইনকা এবং তাদের রাণীরা। চারদিকের বাড়িতে থাকত তাদের চাকর চাকরানীরা।

কুজকো: শহর রাজধানী: ইনকা সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র হল কুজকো শহর। সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় লোকাচার প্রায় সব দিকেই কুজকো শহরের প্রসঙ্গ ও ভূমিকা উল্লেখ করার মত। খ্রিষ্টীয় দ্বাদশ শতকে মানকো কাপাক এই শহরটির গোড়াপত্তন করেন। এই মানকোকে ইনকারা সূর্যের পুত্র বলে মনে করেন। কুজকো শহরটির শব্দগত উৎপত্তি কেচুয়াভাষায় পাওয়া যায়। কেচুয়াতে শব্দটি কোসকো (Qosqo)। যার অর্থ হল পৃথিবীর নৌসেনাকেন্দ্র (The Earth’s naval)।

এই কুজকো শহরে নাকি মানকো কাপাক একটি সোনার দণ্ড পুঁতে রেখে ছিলেন কুজকো শহরের অগ্রগতিতে নতুনমাত্রা যোগ করেছিলেন নবম ইনকা সম্রাট পাচাকুতেক (Pachacutec)। এই ইনকা সম্রাট শহরটিকে এমন ভৌগোলিক আকার দিতে চেয়েছিলেন যেখানে থাকবে প্রসারিত নদী, পাশেই কৃষিজমি, লম্বা সমতল রাস্তা এবং বেশ কয়েকটি বড় দালান।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৩)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৩)