০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কঠোর অবস্থানে ব্রিটেন-ফ্রান্স-জার্মানি

ইরানের রোববারের ‘নির্বিচার ও অসম’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি। তিন দেশের নেতারা জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে হামলার উৎসস্থল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারসহ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ই-৩ জোটের যৌথ বিবৃতি

ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিকে নিয়ে গঠিত তথাকথিত ই-৩ জোট এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তারা আঞ্চলিক স্বার্থ ও মিত্রদের সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সাম্প্রতিক হামলা ছিল ‘নির্বিচার ও মাত্রাতিরিক্ত’, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।

নেতারা আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য নতুন হামলা ঠেকানো এবং প্রতিরক্ষা জোরদার করাই হবে মূল লক্ষ্য।

এমপিদের বিদ্রোহের মুখে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার | দৈনিক নয়া দিগন্ত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রোববার এক ভিডিও বার্তায় জানান, যুক্তরাষ্ট্রের একটি নির্দিষ্ট অনুরোধে সাড়া দিয়েছে যুক্তরাজ্য। তিনি বলেন, ইরানের গুদামঘর বা উৎক্ষেপণস্থলে সংরক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে সীমিত প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের জন্য ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

স্টারমার জানান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরান যাতে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে না পারে, সে উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্য এই অনুরোধ মঞ্জুর করেছে। তার ভাষায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ।

আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য প্রভাব

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হামলার পর ইউরোপীয় শক্তিগুলোর এই কড়া অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি পশ্চিমা জোটের ঐক্যবদ্ধ প্রতিক্রিয়ারও ইঙ্গিত দেয়। এখন নজর থাকবে, ইরান এ ঘোষণার জবাবে কী অবস্থান নেয় এবং পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।

Experts react: The US and Israel just unleashed a major attack on Iran.  What's next? - Atlantic Council

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কঠোর অবস্থানে ব্রিটেন-ফ্রান্স-জার্মানি

০৬:২২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ইরানের রোববারের ‘নির্বিচার ও অসম’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি। তিন দেশের নেতারা জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে হামলার উৎসস্থল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারসহ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ই-৩ জোটের যৌথ বিবৃতি

ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিকে নিয়ে গঠিত তথাকথিত ই-৩ জোট এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তারা আঞ্চলিক স্বার্থ ও মিত্রদের সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সাম্প্রতিক হামলা ছিল ‘নির্বিচার ও মাত্রাতিরিক্ত’, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।

নেতারা আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য নতুন হামলা ঠেকানো এবং প্রতিরক্ষা জোরদার করাই হবে মূল লক্ষ্য।

এমপিদের বিদ্রোহের মুখে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার | দৈনিক নয়া দিগন্ত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রোববার এক ভিডিও বার্তায় জানান, যুক্তরাষ্ট্রের একটি নির্দিষ্ট অনুরোধে সাড়া দিয়েছে যুক্তরাজ্য। তিনি বলেন, ইরানের গুদামঘর বা উৎক্ষেপণস্থলে সংরক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে সীমিত প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের জন্য ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

স্টারমার জানান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরান যাতে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে না পারে, সে উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্য এই অনুরোধ মঞ্জুর করেছে। তার ভাষায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ।

আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য প্রভাব

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হামলার পর ইউরোপীয় শক্তিগুলোর এই কড়া অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি পশ্চিমা জোটের ঐক্যবদ্ধ প্রতিক্রিয়ারও ইঙ্গিত দেয়। এখন নজর থাকবে, ইরান এ ঘোষণার জবাবে কী অবস্থান নেয় এবং পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।

Experts react: The US and Israel just unleashed a major attack on Iran.  What's next? - Atlantic Council