০৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

ইরানের স্কুলে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, প্রমাণে উঠে এলো ভিন্ন চিত্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার আবারও দাবি করেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান নিজ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়ে ১৭৫ জন নাগরিককে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু ছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

অন্যদিকে যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ঘটনার প্রকৃতি ভিন্ন ছিল। ভিডিও বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্যালয়ের পাশের একটি নৌঘাঁটিতে আঘাত হানে।

স্কুলে হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করছেন ট্রাম্প

ঘটনার স্থান ও সময়

নিউ ইয়র্ক টাইমস যাচাই করা ভিডিও প্রমাণে দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই একটি নৌঘাঁটি অবস্থিত ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি সেই নৌঘাঁটির ওপর আঘাত হানে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশপাশের এলাকায়ও ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার মধ্যে বিদ্যালয়টি ছিল।

ইরানের স্কুলে হামলার দায় সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের: প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট

বিতর্কিত দাবি

এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরান নিজেই ওই বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। তার মতে, এই হামলায় ১৭৫ জন মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ছিল।

তবে তার এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ভিডিও বিশ্লেষণে যা দেখা গেছে

নিউ ইয়র্ক টাইমসের যাচাই করা ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। বিদ্যালয়টি সেই স্থাপনার খুব কাছাকাছি হওয়ায় বিস্ফোরণের প্রভাব সেখানে পৌঁছে যায়।

ভিডিও বিশ্লেষণ ও অবস্থান নির্ধারণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হামলার মূল লক্ষ্য ছিল নৌঘাঁটি, বিদ্যালয় নয়।

এই ঘটনার পর যুদ্ধের প্রাথমিক দিনগুলোর তথ্য ও দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য এবং বাস্তব ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

ইরানের স্কুলে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, প্রমাণে উঠে এলো ভিন্ন চিত্র

১২:২২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার আবারও দাবি করেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান নিজ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়ে ১৭৫ জন নাগরিককে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু ছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

অন্যদিকে যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ঘটনার প্রকৃতি ভিন্ন ছিল। ভিডিও বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্যালয়ের পাশের একটি নৌঘাঁটিতে আঘাত হানে।

স্কুলে হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করছেন ট্রাম্প

ঘটনার স্থান ও সময়

নিউ ইয়র্ক টাইমস যাচাই করা ভিডিও প্রমাণে দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই একটি নৌঘাঁটি অবস্থিত ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি সেই নৌঘাঁটির ওপর আঘাত হানে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশপাশের এলাকায়ও ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার মধ্যে বিদ্যালয়টি ছিল।

ইরানের স্কুলে হামলার দায় সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের: প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট

বিতর্কিত দাবি

এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরান নিজেই ওই বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। তার মতে, এই হামলায় ১৭৫ জন মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ছিল।

তবে তার এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ভিডিও বিশ্লেষণে যা দেখা গেছে

নিউ ইয়র্ক টাইমসের যাচাই করা ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। বিদ্যালয়টি সেই স্থাপনার খুব কাছাকাছি হওয়ায় বিস্ফোরণের প্রভাব সেখানে পৌঁছে যায়।

ভিডিও বিশ্লেষণ ও অবস্থান নির্ধারণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হামলার মূল লক্ষ্য ছিল নৌঘাঁটি, বিদ্যালয় নয়।

এই ঘটনার পর যুদ্ধের প্রাথমিক দিনগুলোর তথ্য ও দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য এবং বাস্তব ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।