১১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল শতায়ু বাবা-মায়ের সন্তানদের আয়ু ও সুস্বাস্থ্যের সম্ভাবনা বেশি শিক্ষিত, দক্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণদেরই ফাঁদে ফেলছে মানবপাচারকারীরা পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ, সুযোগ নিয়ে থাকছে প্রশ্ন গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে হচ্ছে না কারওয়ান বাজারে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

ইরানে নতুন হামলার পর কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, একটি মার্কিন নজরদারি ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে।

নতুন এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মহল পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে।

মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের দাবি

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, হামলায় মোট ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এ ছাড়া বাহিনীটি আরও দাবি করেছে, অভিযানের সময় একটি মার্কিন নজরদারি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Iran fires two missiles at Diego Garcia, signalling extended strike range |  World News - Business Standard

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাদের সাম্প্রতিক অভিযানে ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরান-সমর্থিত শক্তিগুলোর ওপর কঠোর মূল্য আরোপ করা এবং ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধে শক্ত বার্তা দেওয়া।

ওয়াশিংটনের দাবি, অভিযানে সামরিক অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে। কুয়েত ও বাহরাইনের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠতে পারে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর অনেকটাই নির্ভর করবে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই সংকট ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ বা পাল্টা জবাব পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল

ইরানে নতুন হামলার পর কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি

০৫:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, একটি মার্কিন নজরদারি ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে।

নতুন এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মহল পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে।

মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের দাবি

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, হামলায় মোট ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এ ছাড়া বাহিনীটি আরও দাবি করেছে, অভিযানের সময় একটি মার্কিন নজরদারি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Iran fires two missiles at Diego Garcia, signalling extended strike range |  World News - Business Standard

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাদের সাম্প্রতিক অভিযানে ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরান-সমর্থিত শক্তিগুলোর ওপর কঠোর মূল্য আরোপ করা এবং ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধে শক্ত বার্তা দেওয়া।

ওয়াশিংটনের দাবি, অভিযানে সামরিক অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে। কুয়েত ও বাহরাইনের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠতে পারে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর অনেকটাই নির্ভর করবে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই সংকট ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ বা পাল্টা জবাব পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।