০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা

২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত সাবেক যুবলীগ নেতা একরামুল হকের হত্যাকাণ্ডে অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন।

রোববার সকালে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ তদন্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়।

একরামুল হক টেকনাফ পৌরসভার তিনবারের কাউন্সিলর এবং টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় টেকনাফ উপজেলার মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন নোয়াখালীপাড়া এলাকায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনি নিহত হন।

ঘটনার পর থেকেই এই মৃত্যুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সরকারি ভাষ্যে এটি বন্দুকযুদ্ধ হিসেবে তুলে ধরা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ

একরামুলের স্ত্রী আয়েশা বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী প্রকৃত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হননি; বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন

ঘটনার পাঁচ দিন পর, ২০১৮ সালের ৩১ মে, কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় মোবাইল ফোনে ধারণ হওয়া কয়েকটি অডিও রেকর্ডিং তার কাছে রয়েছে।

অডিও রেকর্ডিং ঘিরে আলোড়ন

সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত অডিওগুলোর একটিতে ট্রিগার চাপার শব্দ, পরপর গুলির আওয়াজ এবং একজন ব্যক্তির গোঙানির শব্দ শোনা যায় বলে দাবি করা হয়।

অডিওগুলো প্রকাশের পর ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং ওই অভিযানের সরকারি বর্ণনা নিয়ে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে।

তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি

দীর্ঘ সময় পর এই ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত একরামুল হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় নতুন একটি ধাপ যুক্ত হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা

০৪:৫৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত সাবেক যুবলীগ নেতা একরামুল হকের হত্যাকাণ্ডে অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন।

রোববার সকালে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ তদন্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়।

একরামুল হক টেকনাফ পৌরসভার তিনবারের কাউন্সিলর এবং টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় টেকনাফ উপজেলার মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন নোয়াখালীপাড়া এলাকায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনি নিহত হন।

ঘটনার পর থেকেই এই মৃত্যুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সরকারি ভাষ্যে এটি বন্দুকযুদ্ধ হিসেবে তুলে ধরা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ

একরামুলের স্ত্রী আয়েশা বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী প্রকৃত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হননি; বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন

ঘটনার পাঁচ দিন পর, ২০১৮ সালের ৩১ মে, কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় মোবাইল ফোনে ধারণ হওয়া কয়েকটি অডিও রেকর্ডিং তার কাছে রয়েছে।

অডিও রেকর্ডিং ঘিরে আলোড়ন

সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত অডিওগুলোর একটিতে ট্রিগার চাপার শব্দ, পরপর গুলির আওয়াজ এবং একজন ব্যক্তির গোঙানির শব্দ শোনা যায় বলে দাবি করা হয়।

অডিওগুলো প্রকাশের পর ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং ওই অভিযানের সরকারি বর্ণনা নিয়ে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে।

তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি

দীর্ঘ সময় পর এই ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত একরামুল হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় নতুন একটি ধাপ যুক্ত হলো।