০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

এস আলমের বিদ্যুৎ কোম্পানিকে পুরো বাকিতে পণ্য আমদানির সুযোগ

অর্থ পাচার ও ব্যাংকের অর্থ লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে পণ্য আমদানিতে শতভাগ মার্জিন সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পণ্য ও কাঁচামাল আমদানিতে এখন আর আগাম অর্থ জমা দিতে হবে না।

রূপালী ব্যাংক করবে পুরো অর্থায়ন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের ফলে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের আমদানির জন্য খোলা ঋণপত্রের পুরো অর্থায়ন করতে পারবে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক। অর্থাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ব্যাংক পুরো অর্থের জোগান দিতে পারবে।

রোববার জারি করা এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের একটি নির্দিষ্ট ধারা প্রয়োগ করা হবে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিষ্ঠানটি আমদানি কার্যক্রমে বিশেষ সুবিধা পাবে।

ক্ষুদ্র ব্যবসায় ঋণসংকট, খেলাপি ঋণের হার ছাড়াল ২৬ শতাংশ | অর্থনীতি |  Citizens Voice

খেলাপি ঋণের চাপ

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা সাতটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর নতুন ঋণ সুবিধা না পাওয়া এবং একের পর এক মামলার কারণে গ্রুপটির অধিকাংশ ব্যবসা আর্থিক সংকটে পড়ে।

বর্তমানে গ্রুপটির বিদ্যুৎ ও পরিবহন খাতের ব্যবসা টিকে থাকলেও ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা নানা সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে। অর্থ সংকটের কারণে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডও একপর্যায়ে খেলাপি হয়ে পড়ে।

রূপালী ব্যাংকের আবেদনে অনুমোদন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে স্থাপিত এসএস পাওয়ার-১ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রূপালী ব্যাংকের গ্রাহক। প্রতিষ্ঠানটির পণ্য আমদানিতে শতভাগ মার্জিন সুবিধা দেওয়ার অনুমোদন চেয়ে রূপালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করে।

রূপালী ব্যাংকে নিয়োগ, আবেদন ডাক/কুরিয়ারে | প্রথম আলো

আবেদনটি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯৩-এর সংশোধিত ২০২৩ সালের ২৭ কক(৩) ধারার প্রয়োগ থেকে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে অব্যাহতি দিয়েছে।

আইনে খেলাপি ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ

ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৭ কক(৩) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো খেলাপি ঋণগ্রহীতার অনুকূলে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণভাবে ঋণ সুবিধা দিতে পারবে না। তবে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি ইচ্ছাকৃত খেলাপি না হলে কিংবা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ আইনে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের ফলে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেড সেই বিশেষ অনুমোদনের আওতায় পণ্য আমদানিতে পুরো অর্থায়নের সুবিধা পাচ্ছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বিশেষ ছাড় কার্যকর থাকবে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

এস আলমের বিদ্যুৎ কোম্পানিকে পুরো বাকিতে পণ্য আমদানির সুযোগ

১১:৩৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

অর্থ পাচার ও ব্যাংকের অর্থ লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে পণ্য আমদানিতে শতভাগ মার্জিন সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পণ্য ও কাঁচামাল আমদানিতে এখন আর আগাম অর্থ জমা দিতে হবে না।

রূপালী ব্যাংক করবে পুরো অর্থায়ন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের ফলে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের আমদানির জন্য খোলা ঋণপত্রের পুরো অর্থায়ন করতে পারবে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক। অর্থাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ব্যাংক পুরো অর্থের জোগান দিতে পারবে।

রোববার জারি করা এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের একটি নির্দিষ্ট ধারা প্রয়োগ করা হবে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিষ্ঠানটি আমদানি কার্যক্রমে বিশেষ সুবিধা পাবে।

ক্ষুদ্র ব্যবসায় ঋণসংকট, খেলাপি ঋণের হার ছাড়াল ২৬ শতাংশ | অর্থনীতি |  Citizens Voice

খেলাপি ঋণের চাপ

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা সাতটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর নতুন ঋণ সুবিধা না পাওয়া এবং একের পর এক মামলার কারণে গ্রুপটির অধিকাংশ ব্যবসা আর্থিক সংকটে পড়ে।

বর্তমানে গ্রুপটির বিদ্যুৎ ও পরিবহন খাতের ব্যবসা টিকে থাকলেও ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা নানা সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে। অর্থ সংকটের কারণে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডও একপর্যায়ে খেলাপি হয়ে পড়ে।

রূপালী ব্যাংকের আবেদনে অনুমোদন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে স্থাপিত এসএস পাওয়ার-১ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রূপালী ব্যাংকের গ্রাহক। প্রতিষ্ঠানটির পণ্য আমদানিতে শতভাগ মার্জিন সুবিধা দেওয়ার অনুমোদন চেয়ে রূপালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করে।

রূপালী ব্যাংকে নিয়োগ, আবেদন ডাক/কুরিয়ারে | প্রথম আলো

আবেদনটি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯৩-এর সংশোধিত ২০২৩ সালের ২৭ কক(৩) ধারার প্রয়োগ থেকে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে অব্যাহতি দিয়েছে।

আইনে খেলাপি ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ

ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৭ কক(৩) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো খেলাপি ঋণগ্রহীতার অনুকূলে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণভাবে ঋণ সুবিধা দিতে পারবে না। তবে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি ইচ্ছাকৃত খেলাপি না হলে কিংবা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ আইনে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের ফলে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেড সেই বিশেষ অনুমোদনের আওতায় পণ্য আমদানিতে পুরো অর্থায়নের সুবিধা পাচ্ছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বিশেষ ছাড় কার্যকর থাকবে।