০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

এ নাম্বারে ফোন দিও

বড় উদাস ছিল সে হাওয়া—

যখন রাজলক্ষ্মী প্রতিদিন হেঁটে ফিরত তার মাসির বাড়িতে

ওই পথে ওই সময়ে কলেজের সব কাজ ফেলে

আমারও যাবার প্রয়োজনটা যেত বেড়ে

শহরের বাতাসেও ছিল জলের ছোঁয়া—

ধানগাছগুলো পাকা রাস্তার পাশে এসে নূয়ে পড়ত

তবুও ভালো লাগত ওর চলার রাস্তাটির হাওয়া
পড়ন্ত বিকেলে সেখানে ধানগাছগুলো হতো আরো সবুজ বা সোনালি

মাঝে মাঝে ওই পথে হাঁটতে বড় ক্লান্তি নামত—
তাই চেপে বসতাম রেলে—
না, ওই দিন রাজলক্ষ্মীও ট্রেনে যেত ঠিক ওই কামরায়—
সেজন্য কোনো মতেই নয়।
আর চানাচুর বা ঝাল মুড়ি—সে তো কখনো একা খাওয়া যায় না
ওই ছাড়া ও কামরাতে আর তো কেউ আমার চেনা থাকত না
থাকলে ঠিক তাদেরও দিতাম।
যেদিন বড় ফোঁটায় বৃষ্টি নামত
রাজলক্ষ্মী হাঁটত ছাতার নিচে
আমি হাঁটতাম ভিজে ভিজে—
ও তো আসলে বোঝেনি কোনোদিন—
জিনসের জ্যাকেট পরে থাকলে
যে কেউ ভিজতে ভালোবাসে।

সময়গুলো পাতাঝরা—
বর্ষা, হেমন্ত শেষে শীত আসে—
শুকনো পাতা বাতাসে ওড়ে—
স্মৃতিগুলো হয় ধূসর
পায়ের পেশি নরম হয়
হাঁটার চেয়ে বসে চলতে ভালোবাসে
ট্রেনের চেয়ে প্লেনের গতি সামনে আসে—

রিসিভার তুলে ৯ নম্বর চাওয়ার
সময় কাটিয়ে ছয় মাসে দিচ্ছে অ্যাপলের নতুন প্রজন্ম

রাস্তা নেই, হাওয়া নেই, নেই কোনো সবুজ পাতা
তবুও কেমন যেন জুড়ে দিল
অন্তর্জালের শিরা।
হঠাৎ বিকেলে অজানা নাম্বার
ভিনদেশ থেকে
কোনো পণ্যের ক্রেতা বলে তুলে নিল দ্রুত লাভের আশায়

একেবারে সরল বাংলায় বলে,
কেমন আছ তুমি—
শুনেছি তুমি ঘোরাফেরা কর নানান দেশে
অনেক তোমার কাজ
এখানে এলে এ নাম্বারে ফোন দিও।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

এ নাম্বারে ফোন দিও

০৪:০০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

বড় উদাস ছিল সে হাওয়া—

যখন রাজলক্ষ্মী প্রতিদিন হেঁটে ফিরত তার মাসির বাড়িতে

ওই পথে ওই সময়ে কলেজের সব কাজ ফেলে

আমারও যাবার প্রয়োজনটা যেত বেড়ে

শহরের বাতাসেও ছিল জলের ছোঁয়া—

ধানগাছগুলো পাকা রাস্তার পাশে এসে নূয়ে পড়ত

তবুও ভালো লাগত ওর চলার রাস্তাটির হাওয়া
পড়ন্ত বিকেলে সেখানে ধানগাছগুলো হতো আরো সবুজ বা সোনালি

মাঝে মাঝে ওই পথে হাঁটতে বড় ক্লান্তি নামত—
তাই চেপে বসতাম রেলে—
না, ওই দিন রাজলক্ষ্মীও ট্রেনে যেত ঠিক ওই কামরায়—
সেজন্য কোনো মতেই নয়।
আর চানাচুর বা ঝাল মুড়ি—সে তো কখনো একা খাওয়া যায় না
ওই ছাড়া ও কামরাতে আর তো কেউ আমার চেনা থাকত না
থাকলে ঠিক তাদেরও দিতাম।
যেদিন বড় ফোঁটায় বৃষ্টি নামত
রাজলক্ষ্মী হাঁটত ছাতার নিচে
আমি হাঁটতাম ভিজে ভিজে—
ও তো আসলে বোঝেনি কোনোদিন—
জিনসের জ্যাকেট পরে থাকলে
যে কেউ ভিজতে ভালোবাসে।

সময়গুলো পাতাঝরা—
বর্ষা, হেমন্ত শেষে শীত আসে—
শুকনো পাতা বাতাসে ওড়ে—
স্মৃতিগুলো হয় ধূসর
পায়ের পেশি নরম হয়
হাঁটার চেয়ে বসে চলতে ভালোবাসে
ট্রেনের চেয়ে প্লেনের গতি সামনে আসে—

রিসিভার তুলে ৯ নম্বর চাওয়ার
সময় কাটিয়ে ছয় মাসে দিচ্ছে অ্যাপলের নতুন প্রজন্ম

রাস্তা নেই, হাওয়া নেই, নেই কোনো সবুজ পাতা
তবুও কেমন যেন জুড়ে দিল
অন্তর্জালের শিরা।
হঠাৎ বিকেলে অজানা নাম্বার
ভিনদেশ থেকে
কোনো পণ্যের ক্রেতা বলে তুলে নিল দ্রুত লাভের আশায়

একেবারে সরল বাংলায় বলে,
কেমন আছ তুমি—
শুনেছি তুমি ঘোরাফেরা কর নানান দেশে
অনেক তোমার কাজ
এখানে এলে এ নাম্বারে ফোন দিও।