০৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা যুদ্ধ থামছে না কেন? অপরাধ যখন ধর্মের পরিচয় পায় ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল শতায়ু বাবা-মায়ের সন্তানদের আয়ু ও সুস্বাস্থ্যের সম্ভাবনা বেশি শিক্ষিত, দক্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণদেরই ফাঁদে ফেলছে মানবপাচারকারীরা পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ, সুযোগ নিয়ে থাকছে প্রশ্ন গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে হচ্ছে না

ওপেনএআই-এর সামনে বিপুল অর্থসংকট: ২০৩০ সালের মধ্যে প্রয়োজন ২০০ বিলিয়ন ডলার

বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিযোগিতা তীব্র আকার ধারণ করায় কম্পিউটিং ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধির মুখে পড়েছে ওপেনএআই। তাই প্রতিষ্ঠানটিকে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি নতুন অর্থ সংগ্রহ করতে হতে পারে—এই হিসাব দিয়েছে এইচএসবিসির সাম্প্রতিক গবেষণা।

ওপেনএআই-এর অর্থঘাটতির নতুন হিসাব
এইচএসবিসির হালনাগাদ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন এবং ওরাকলের সঙ্গে ওপেনএআই-এর নতুন দীর্ঘমেয়াদি ক্লাউড ও কম্পিউট চুক্তি ভবিষ্যৎ ব্যয়কে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আশাবাদী প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ধরে নিলেও, ব্যাংকটি বলছে যে দশকের শেষে ওপেনএআই-এর আনুমানিক অর্থসংকট দাঁড়াতে পারে প্রায় ২০৭ বিলিয়ন ডলারে। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব ১২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা থাকলেও তা ব্যয়ের তুলনায় অপ্রতুল।

কম্পিউটিং ব্যয়ের উল্লম্ফন
গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ওপেনএআই-এর ক্লাউড ব্যবহারের বিল একাই প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। এদিকে দ্রুত ব্যবহারকারী বৃদ্ধির ধারাও অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে—সাম্প্রতিক তথ্যে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী থাকলেও ২০৩০ সালে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারী সংখ্যা ৩ বিলিয়নে পৌঁছাতে পারে, যা চীনের বাইরে বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৪৪ শতাংশ।

এআই বুম এবং বিনিয়োগ ঝুঁকি
চ্যাটজিপিটি চালুর পর থেকে ওপেনএআই বিশ্বব্যাপী এআই বিপ্লবের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ডেটা সেন্টার ও উন্নত চিপে বিপুল বিনিয়োগ করায় ওপেনএআইও বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ছে। তবে বিশ্লেষকদের অনেকেই সতর্ক করে বলছেন, ব্যয়ের যে বিস্ফোরণ ঘটছে তা একটি ‘বাবল’ তৈরি করতে পারে—যেখানে বিনিয়োগ বাড়ছে, কিন্তু প্রত্যাশিত হারে লাভ আসছে না। ফলে ঝুঁকি বাড়ছে শুধু ওপেনএআই-এর জন্য নয়, বরং তাদের পেছনে থাকা বৃহৎ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্যও।

প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতা চরমে
চ্যাটজিপিটির মতো সেবা অনলাইনে অনুসন্ধান ব্যবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে। ফলে গুগলসহ অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে রেকর্ড বিনিয়োগে ঝুঁকছে।

ওপেনএআই-এর বাজারমূল্যের নতুন মাইলফলক
চলতি বছরের অক্টোবরে কর্মীদের শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ওপেনএআই-এর মূল্যায়ন প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। এতে প্রতিষ্ঠানটি ইলন মাস্কের স্পেসএক্সকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান বেসরকারি কোম্পানিতে পরিণত হয়।

#টেক #ওপেনএআই #চ্যাটজিপিটি #বিনিয়োগ #এআইবুম

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা

ওপেনএআই-এর সামনে বিপুল অর্থসংকট: ২০৩০ সালের মধ্যে প্রয়োজন ২০০ বিলিয়ন ডলার

০১:০৩:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিযোগিতা তীব্র আকার ধারণ করায় কম্পিউটিং ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধির মুখে পড়েছে ওপেনএআই। তাই প্রতিষ্ঠানটিকে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি নতুন অর্থ সংগ্রহ করতে হতে পারে—এই হিসাব দিয়েছে এইচএসবিসির সাম্প্রতিক গবেষণা।

ওপেনএআই-এর অর্থঘাটতির নতুন হিসাব
এইচএসবিসির হালনাগাদ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন এবং ওরাকলের সঙ্গে ওপেনএআই-এর নতুন দীর্ঘমেয়াদি ক্লাউড ও কম্পিউট চুক্তি ভবিষ্যৎ ব্যয়কে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আশাবাদী প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ধরে নিলেও, ব্যাংকটি বলছে যে দশকের শেষে ওপেনএআই-এর আনুমানিক অর্থসংকট দাঁড়াতে পারে প্রায় ২০৭ বিলিয়ন ডলারে। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব ১২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা থাকলেও তা ব্যয়ের তুলনায় অপ্রতুল।

কম্পিউটিং ব্যয়ের উল্লম্ফন
গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ওপেনএআই-এর ক্লাউড ব্যবহারের বিল একাই প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। এদিকে দ্রুত ব্যবহারকারী বৃদ্ধির ধারাও অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে—সাম্প্রতিক তথ্যে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী থাকলেও ২০৩০ সালে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারী সংখ্যা ৩ বিলিয়নে পৌঁছাতে পারে, যা চীনের বাইরে বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৪৪ শতাংশ।

এআই বুম এবং বিনিয়োগ ঝুঁকি
চ্যাটজিপিটি চালুর পর থেকে ওপেনএআই বিশ্বব্যাপী এআই বিপ্লবের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ডেটা সেন্টার ও উন্নত চিপে বিপুল বিনিয়োগ করায় ওপেনএআইও বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ছে। তবে বিশ্লেষকদের অনেকেই সতর্ক করে বলছেন, ব্যয়ের যে বিস্ফোরণ ঘটছে তা একটি ‘বাবল’ তৈরি করতে পারে—যেখানে বিনিয়োগ বাড়ছে, কিন্তু প্রত্যাশিত হারে লাভ আসছে না। ফলে ঝুঁকি বাড়ছে শুধু ওপেনএআই-এর জন্য নয়, বরং তাদের পেছনে থাকা বৃহৎ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্যও।

প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতা চরমে
চ্যাটজিপিটির মতো সেবা অনলাইনে অনুসন্ধান ব্যবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে। ফলে গুগলসহ অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে রেকর্ড বিনিয়োগে ঝুঁকছে।

ওপেনএআই-এর বাজারমূল্যের নতুন মাইলফলক
চলতি বছরের অক্টোবরে কর্মীদের শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ওপেনএআই-এর মূল্যায়ন প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। এতে প্রতিষ্ঠানটি ইলন মাস্কের স্পেসএক্সকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান বেসরকারি কোম্পানিতে পরিণত হয়।

#টেক #ওপেনএআই #চ্যাটজিপিটি #বিনিয়োগ #এআইবুম