০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দরে পাহাড় কাটার অভিযোগে তদন্ত শুরু

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দরে মাটি ভরাটের জন্য পাহাড় কাটার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। শনিবার মন্ত্রণালয়ের গঠিত ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি সরেজমিনে গিয়ে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে।

তদন্তের অংশ হিসেবে কমিটির সদস্যরা ওইসব এলাকা ঘুরে দেখেন, যেখানে পাহাড় কেটে মাটি সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে স্থলবন্দরের যেসব অংশে সেই মাটি ভরাট করা হয়েছে, সেগুলিও পরীক্ষা করা হয়।

গত ৭ জানুয়ারি ২০২৬ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ভারতের জন্য বন্দর নির্মাণে পাহাড় কাটা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর পরদিন ৮ জানুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় যৌথ সচিব (বাস্তবায়ন) মো. ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার তদন্ত কমিটি রামগড় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে বৈধ্যাতিল পরিদর্শন করে। এ সময় তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ছবি, তথ্য ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে স্থলবন্দরের ভেতরে ব্যবহৃত ভরাটের মাটির নমুনা সংগ্রহ এবং নির্মাণকাজের মান যাচাই করা হয়।

তদন্ত কার্যক্রমে কমিটির সঙ্গে ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব রাসনা শারমিন মিতু, রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের একজন প্রতিনিধি এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মনিকো লিমিটেডের কর্মকর্তারা।

এর আগে শুক্রবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের দলও রামগড়ে গিয়ে অভিযোগের বিষয়টি পরিদর্শন করে।

শনিবার পর্যন্ত তদন্ত কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণ বা অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ব্রিফিং দেয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দরে পাহাড় কাটার অভিযোগে তদন্ত শুরু

১১:৫৬:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দরে মাটি ভরাটের জন্য পাহাড় কাটার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। শনিবার মন্ত্রণালয়ের গঠিত ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি সরেজমিনে গিয়ে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে।

তদন্তের অংশ হিসেবে কমিটির সদস্যরা ওইসব এলাকা ঘুরে দেখেন, যেখানে পাহাড় কেটে মাটি সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে স্থলবন্দরের যেসব অংশে সেই মাটি ভরাট করা হয়েছে, সেগুলিও পরীক্ষা করা হয়।

গত ৭ জানুয়ারি ২০২৬ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ভারতের জন্য বন্দর নির্মাণে পাহাড় কাটা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর পরদিন ৮ জানুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় যৌথ সচিব (বাস্তবায়ন) মো. ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার তদন্ত কমিটি রামগড় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে বৈধ্যাতিল পরিদর্শন করে। এ সময় তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ছবি, তথ্য ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে স্থলবন্দরের ভেতরে ব্যবহৃত ভরাটের মাটির নমুনা সংগ্রহ এবং নির্মাণকাজের মান যাচাই করা হয়।

তদন্ত কার্যক্রমে কমিটির সঙ্গে ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব রাসনা শারমিন মিতু, রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের একজন প্রতিনিধি এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মনিকো লিমিটেডের কর্মকর্তারা।

এর আগে শুক্রবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের দলও রামগড়ে গিয়ে অভিযোগের বিষয়টি পরিদর্শন করে।

শনিবার পর্যন্ত তদন্ত কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণ বা অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ব্রিফিং দেয়নি।