০৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবিকে ঘিরে চলমান অবস্থান কর্মসূচি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের ভিত্তিতে আন্দোলন সাময়িকভাবে বন্ধ করলেও দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্তরা।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিনিধি হিসেবে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন। দিনভর চলা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন এবং সরকারের ঘোষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ জানান।

দাবির মূল প্রেক্ষাপট
অবসরপ্রাপ্তদের প্রধান দাবি হলো—সরকারের ২০০৪ ও ২০১৬ সালের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের অন্যান্য সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর হলেও গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তরা এখনও সেই সুবিধা পাননি। এতে তাদের জীবিকা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

তারা বলেন, একই ধরনের কাজ করা সত্ত্বেও অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যেখানে সুবিধা পাচ্ছেন, সেখানে গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তরা বঞ্চিত থাকছেন—এটি বৈষম্যমূলক। তাই দ্রুত প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের বেঁচে থাকার পথ সহজ করার দাবি জানান তারা।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আশ্বাস
বেলা ২টার দিকে অবসরপ্রাপ্তদের একটি প্রতিনিধি দল ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকটি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে ব্যাংকের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয় যে, খুব শিগগিরই অবসরপ্রাপ্তদের দাবি মেনে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এই আশ্বাসের ভিত্তিতেই আন্দোলনকারীরা আপাতত তাদের কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে তারা স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে পুনরায় কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হতে পারে।

সময়সীমা নির্ধারণ
অবসরপ্রাপ্তরা জানিয়েছেন, আগামী ঈদুল আজহার আগেই তাদের দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি ২০ মে’র মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে তারা নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন বলে সতর্ক করেছেন।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য
অবস্থান কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি মাহবুবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তারা সরকারের ঘোষিত সুবিধা বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এছাড়া সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক নেতা রাজু আহমেদ। অবসরপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে সাইফুল ইসলাম প্রধান, বাদশা হাওলাদারসহ বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন।

আন্দোলনকারীরা বলেন, তাদের দাবি ন্যায়সঙ্গত এবং এটি বাস্তবায়ন হলে হাজারো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর জীবনযাত্রা স্বস্তির হবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্তদের দাবি

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের দাবি পূরণে আশ্বাস, কর্মসূচি স্থগিত

ঈদের আগে দাবি বাস্তবায়নের আশায় আন্দোলন স্থগিত

gramin-bank-retired-demand-protest

গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্তদের দাবি

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তরা আন্দোলন স্থগিত করেছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে, তবে ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন আপাতত স্থগিত হলেও দাবি আদায়ে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তারা। ঈদের আগেই বাস্তবায়ন না হলে আবারও কর্মসূচির হুঁশিয়ারি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস

১০:৪০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবিকে ঘিরে চলমান অবস্থান কর্মসূচি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের ভিত্তিতে আন্দোলন সাময়িকভাবে বন্ধ করলেও দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্তরা।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিনিধি হিসেবে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন। দিনভর চলা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন এবং সরকারের ঘোষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ জানান।

দাবির মূল প্রেক্ষাপট
অবসরপ্রাপ্তদের প্রধান দাবি হলো—সরকারের ২০০৪ ও ২০১৬ সালের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের অন্যান্য সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর হলেও গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তরা এখনও সেই সুবিধা পাননি। এতে তাদের জীবিকা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

তারা বলেন, একই ধরনের কাজ করা সত্ত্বেও অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যেখানে সুবিধা পাচ্ছেন, সেখানে গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তরা বঞ্চিত থাকছেন—এটি বৈষম্যমূলক। তাই দ্রুত প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের বেঁচে থাকার পথ সহজ করার দাবি জানান তারা।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আশ্বাস
বেলা ২টার দিকে অবসরপ্রাপ্তদের একটি প্রতিনিধি দল ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকটি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে ব্যাংকের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয় যে, খুব শিগগিরই অবসরপ্রাপ্তদের দাবি মেনে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এই আশ্বাসের ভিত্তিতেই আন্দোলনকারীরা আপাতত তাদের কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে তারা স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে পুনরায় কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হতে পারে।

সময়সীমা নির্ধারণ
অবসরপ্রাপ্তরা জানিয়েছেন, আগামী ঈদুল আজহার আগেই তাদের দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি ২০ মে’র মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে তারা নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন বলে সতর্ক করেছেন।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য
অবস্থান কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি মাহবুবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তারা সরকারের ঘোষিত সুবিধা বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এছাড়া সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক নেতা রাজু আহমেদ। অবসরপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে সাইফুল ইসলাম প্রধান, বাদশা হাওলাদারসহ বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন।

আন্দোলনকারীরা বলেন, তাদের দাবি ন্যায়সঙ্গত এবং এটি বাস্তবায়ন হলে হাজারো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর জীবনযাত্রা স্বস্তির হবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্তদের দাবি

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের দাবি পূরণে আশ্বাস, কর্মসূচি স্থগিত

ঈদের আগে দাবি বাস্তবায়নের আশায় আন্দোলন স্থগিত

gramin-bank-retired-demand-protest

গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্তদের দাবি

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তরা আন্দোলন স্থগিত করেছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে, তবে ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।

গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন আপাতত স্থগিত হলেও দাবি আদায়ে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তারা। ঈদের আগেই বাস্তবায়ন না হলে আবারও কর্মসূচির হুঁশিয়ারি।