০৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

চলছো কি দিগন্তের পথে?

আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি-
কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল-
না কোন অন্ধকার রাত-
কোন নদীর তীর-
হোক সে গঙ্গা, পদ্মা, মেকং, ডানিউব-
সকলেই মুহূর্ত মাত্র।
আমি অগ্নিজাত কি, অগ্নিজাত না-
তাও ভাবি না-

আসলে ভেবে দেখিনি কোন কিছুই-
চাইনি কোন কিছুই-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই জড়িয়ে যায়-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই ছাড়িয়ে যায়-

দূর থেকে গভীর নিস্তব্ধতায় হেঁকে ওঠে
অজানা সুর-
বলে “চলছো কি দিগন্তের পথে?”
অচেনা হাসি ভেঙে ভেঙে
রোদের রেখার মতো চলে যায় সামনে দিয়ে-
তাদের মুক্তো ছড়ানো পথে-
চাঁদনি রাতে হয়তো নেচে যায় কেউ –
হয়তো সে শরীরি, হয়তো অশরীরি-

মাঝে মাঝে তাই নিজের শরীরও
হয়ে যায় অশরীরি-
তখন অট্টহাসি ফেটে পড়ে চারপাশে –
মনে হয় শোনে সে হাসি কেউ বা শোনে না

ক্ষতি নেই, ক্ষতি হলেও ক্ষতি কি?
আনন্দ এসে আরও নিবিড় আলিঙ্গনে বাঁধলে
শরীরটি হারিয়ে যায়-
তখন নিজেই দিগন্ত রেখা-
শুধু দৃষ্টি সীমায়-
আর কিছু নই।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

চলছো কি দিগন্তের পথে?

০৮:১০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি-
কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল-
না কোন অন্ধকার রাত-
কোন নদীর তীর-
হোক সে গঙ্গা, পদ্মা, মেকং, ডানিউব-
সকলেই মুহূর্ত মাত্র।
আমি অগ্নিজাত কি, অগ্নিজাত না-
তাও ভাবি না-

আসলে ভেবে দেখিনি কোন কিছুই-
চাইনি কোন কিছুই-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই জড়িয়ে যায়-
পায়ে পায়ে অনেক কিছুই ছাড়িয়ে যায়-

দূর থেকে গভীর নিস্তব্ধতায় হেঁকে ওঠে
অজানা সুর-
বলে “চলছো কি দিগন্তের পথে?”
অচেনা হাসি ভেঙে ভেঙে
রোদের রেখার মতো চলে যায় সামনে দিয়ে-
তাদের মুক্তো ছড়ানো পথে-
চাঁদনি রাতে হয়তো নেচে যায় কেউ –
হয়তো সে শরীরি, হয়তো অশরীরি-

মাঝে মাঝে তাই নিজের শরীরও
হয়ে যায় অশরীরি-
তখন অট্টহাসি ফেটে পড়ে চারপাশে –
মনে হয় শোনে সে হাসি কেউ বা শোনে না

ক্ষতি নেই, ক্ষতি হলেও ক্ষতি কি?
আনন্দ এসে আরও নিবিড় আলিঙ্গনে বাঁধলে
শরীরটি হারিয়ে যায়-
তখন নিজেই দিগন্ত রেখা-
শুধু দৃষ্টি সীমায়-
আর কিছু নই।