০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

চল না নদী হই

  • স্বদেশ রায়
  • ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 350

চল না নদী হই আমরা সকলে
মিশে যাই সাগরে-
যারা মৃত্যুকে মনে করে জীবনের অবসান
তারা না হয় থাকুক-
নিরাপদ ছাঁদের নীচে।

প্রকান্ড গলিত লাভার এ পৃথিবীতে
কে কবে বলেছে, নিরাপদ ছাঁদ আছে-
যেখানে একরাতে প্রবল ঝড়ে
ছোট্ট পাখির ছানাটি পা উঁচু করে পড়ে
থাকে নিথর মায়ের শরীরের পাশে।
এসব দেখেও কি তুমি বলবে
চল বসি,
দেখি ফুলের শোভা
আর শুনি পাখির কাকলি-
অথচ দেখ না নদী-
বাঁকে বাঁকে গড়ে কত কীর্তি
যদি কখনও হারায় ধারা
জল তার বয়ে যায়
অন্য ধারা বেয়ে সাগরের জলে।
জন্মদাতাকে ভুলে বসে থাকবে
তুমি ফুলের সুবাসের আশায়-

বরং নদী হও- নদী হই-
সব নদী মেশে সাগরে
সব জীবন মেশে মৃত্যুতে।
বন্দরে বন্দরে গড়ে তোলা
চূড়া কেবলই শুধু আকাশ ছোঁয়-
পিগমিরা তাকালেও দেখতে পায় না সে চূড়া।
আর ইঁদুরেরা কেবল গর্ত খোঁড়ে
গর্তে ঢুকে জীবন বাঁচাতে চায়।
বাঁচে কি ইঁদুর!

তার চেয়ে কুয়াশা ঠেলে ফেলে-
রোদ, জল, ঝড় ও শিশিরকে
সঙ্গে নিয়ে-
চল না নদী হই-
বুকে ঝরুক তীব্র সূর্য রশ্মি
ঝড়ে হই উদ্দাম-
কী এত ভয়-
ধরো হাত সবাই একসাথে –
চল না নদী হই সবাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

চল না নদী হই

০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চল না নদী হই আমরা সকলে
মিশে যাই সাগরে-
যারা মৃত্যুকে মনে করে জীবনের অবসান
তারা না হয় থাকুক-
নিরাপদ ছাঁদের নীচে।

প্রকান্ড গলিত লাভার এ পৃথিবীতে
কে কবে বলেছে, নিরাপদ ছাঁদ আছে-
যেখানে একরাতে প্রবল ঝড়ে
ছোট্ট পাখির ছানাটি পা উঁচু করে পড়ে
থাকে নিথর মায়ের শরীরের পাশে।
এসব দেখেও কি তুমি বলবে
চল বসি,
দেখি ফুলের শোভা
আর শুনি পাখির কাকলি-
অথচ দেখ না নদী-
বাঁকে বাঁকে গড়ে কত কীর্তি
যদি কখনও হারায় ধারা
জল তার বয়ে যায়
অন্য ধারা বেয়ে সাগরের জলে।
জন্মদাতাকে ভুলে বসে থাকবে
তুমি ফুলের সুবাসের আশায়-

বরং নদী হও- নদী হই-
সব নদী মেশে সাগরে
সব জীবন মেশে মৃত্যুতে।
বন্দরে বন্দরে গড়ে তোলা
চূড়া কেবলই শুধু আকাশ ছোঁয়-
পিগমিরা তাকালেও দেখতে পায় না সে চূড়া।
আর ইঁদুরেরা কেবল গর্ত খোঁড়ে
গর্তে ঢুকে জীবন বাঁচাতে চায়।
বাঁচে কি ইঁদুর!

তার চেয়ে কুয়াশা ঠেলে ফেলে-
রোদ, জল, ঝড় ও শিশিরকে
সঙ্গে নিয়ে-
চল না নদী হই-
বুকে ঝরুক তীব্র সূর্য রশ্মি
ঝড়ে হই উদ্দাম-
কী এত ভয়-
ধরো হাত সবাই একসাথে –
চল না নদী হই সবাই।