০২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে, চাপ বাড়াল খাদ্যদাম

দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার জানুয়ারি মাসে সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় এই বৃদ্ধি সীমিত হলেও মূল চালিকা শক্তি ছিল খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যেই উঠে এসেছে এমন চিত্র, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়চাপ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

খাদ্যদামের ঊর্ধ্বগতিই প্রধান কারণ
জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যপণ্যের বাজার ই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কে ওপরে তুলেছে।

গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চিত্র
গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। তবে গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল আরও উঁচু, ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। এক বছর আগে একই সময়ে এই দুই হার ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৬১ ও ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

শহরাঞ্চলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা
শহরাঞ্চলে জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশের চেয়ে বেশি। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে, অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারিতে শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৯৫ ও ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।

সামগ্রিক বিশ্লেষণ
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, খাদ্যপণ্যের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকায় মূল্যস্ফীতি কমার গতি ধীর। যদিও খাদ্যবহির্ভূত খাতে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলেছে, তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে রাখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে, চাপ বাড়াল খাদ্যদাম

০৭:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার জানুয়ারি মাসে সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় এই বৃদ্ধি সীমিত হলেও মূল চালিকা শক্তি ছিল খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যেই উঠে এসেছে এমন চিত্র, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়চাপ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

খাদ্যদামের ঊর্ধ্বগতিই প্রধান কারণ
জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্যপণ্যের বাজার ই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কে ওপরে তুলেছে।

গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির চিত্র
গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। তবে গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল আরও উঁচু, ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। এক বছর আগে একই সময়ে এই দুই হার ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৬১ ও ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

শহরাঞ্চলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা
শহরাঞ্চলে জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশের চেয়ে বেশি। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে, অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারিতে শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৯৫ ও ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।

সামগ্রিক বিশ্লেষণ
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, খাদ্যপণ্যের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকায় মূল্যস্ফীতি কমার গতি ধীর। যদিও খাদ্যবহির্ভূত খাতে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলেছে, তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে রাখছে।