০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী, হিমশিম খাচ্ছে জাপানের মৎস্যশিল্প

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে থাকায় জাপানের মৎস্যশিল্প কঠিন চাপে পড়েছে। জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান লাভ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

দূর সমুদ্রে মাছ ধরার খরচ বেড়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ

মিয়াগি প্রদেশের কেসেননুমা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক জানান, আগে একটি জাহাজের জন্য বছরে প্রায় ১৩ কোটি ইয়েন জ্বালানি খরচ হতো। কিন্তু এখন দক্ষিণ আফ্রিকায়, যেখানে তাদের জাহাজে জ্বালানি ভরা হয়, সেই খরচ দুই থেকে তিনগুণ বেড়ে গেছে। ফলে টুনা মাছ বিক্রি করে যে আয় হয়, তা প্রায় পুরোপুরি জ্বালানি ব্যয়েই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

Lost” Winter Bonito: A New Delicacy of Japanese Cuisine | Nippon.com

মাছ ধরার অভিযান কমে যাচ্ছে

চিবা প্রদেশের কাটসুরার এক মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, কাতসুও বা বনিটো মাছ ধরার নৌকাগুলোকে অনেক সময় কয়েকদিন ধরে সমুদ্রে ঘুরে মাছের খোঁজ করতে হয়। কিন্তু জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে অনেক নৌকাই এখন আগেভাগে ফিরে আসছে।

টোপের সংকটেও বাধা

কাগোশিমা শহরে বনিটো মাছ ধরার নৌকাগুলো কখনও কখনও সমুদ্রে যেতেই পারছে না, কারণ টোপের সংকট দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় জাপানি অ্যাঙ্কোভি ধরার নৌকাগুলো, যেগুলো সাধারণত টোপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোও তীরে আটকে আছে।

বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের চাপ

Damage on the Fishing Industry on Japan

শিজুওকা প্রদেশের আতামি শহরের এক জেলে জানান, ম্যাকারেলসহ বিভিন্ন মাছ ধরার ক্ষেত্রে তারও খরচ বেড়েছে। মাছ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত স্টাইরোফোম বাক্সের দাম বাড়ছে, পাশাপাশি তেলভিত্তিক জাহাজের রং সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

মূল্য বাড়ালেও ভোক্তার ওপর চাপ দেওয়া কঠিন

মাছের সরবরাহ ব্যবস্থা অন্যান্য খাদ্যের তুলনায় বেশি জটিল হওয়ায় বাড়তি খরচ সরাসরি ভোক্তার ওপর চাপানো সহজ নয়। ফলে মৎস্যজীবীরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন।

জরুরি সহায়তার দাবি

এই পরিস্থিতিতে জাপানের মৎস্য খাতের সংগঠনগুলো সরকারকে জরুরি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে এই সংকট মোকাবিলা করে টিকে থাকা যায়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী, হিমশিম খাচ্ছে জাপানের মৎস্যশিল্প

০৩:১৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে থাকায় জাপানের মৎস্যশিল্প কঠিন চাপে পড়েছে। জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান লাভ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

দূর সমুদ্রে মাছ ধরার খরচ বেড়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ

মিয়াগি প্রদেশের কেসেননুমা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক জানান, আগে একটি জাহাজের জন্য বছরে প্রায় ১৩ কোটি ইয়েন জ্বালানি খরচ হতো। কিন্তু এখন দক্ষিণ আফ্রিকায়, যেখানে তাদের জাহাজে জ্বালানি ভরা হয়, সেই খরচ দুই থেকে তিনগুণ বেড়ে গেছে। ফলে টুনা মাছ বিক্রি করে যে আয় হয়, তা প্রায় পুরোপুরি জ্বালানি ব্যয়েই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

Lost” Winter Bonito: A New Delicacy of Japanese Cuisine | Nippon.com

মাছ ধরার অভিযান কমে যাচ্ছে

চিবা প্রদেশের কাটসুরার এক মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, কাতসুও বা বনিটো মাছ ধরার নৌকাগুলোকে অনেক সময় কয়েকদিন ধরে সমুদ্রে ঘুরে মাছের খোঁজ করতে হয়। কিন্তু জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে অনেক নৌকাই এখন আগেভাগে ফিরে আসছে।

টোপের সংকটেও বাধা

কাগোশিমা শহরে বনিটো মাছ ধরার নৌকাগুলো কখনও কখনও সমুদ্রে যেতেই পারছে না, কারণ টোপের সংকট দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় জাপানি অ্যাঙ্কোভি ধরার নৌকাগুলো, যেগুলো সাধারণত টোপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোও তীরে আটকে আছে।

বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের চাপ

Damage on the Fishing Industry on Japan

শিজুওকা প্রদেশের আতামি শহরের এক জেলে জানান, ম্যাকারেলসহ বিভিন্ন মাছ ধরার ক্ষেত্রে তারও খরচ বেড়েছে। মাছ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত স্টাইরোফোম বাক্সের দাম বাড়ছে, পাশাপাশি তেলভিত্তিক জাহাজের রং সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

মূল্য বাড়ালেও ভোক্তার ওপর চাপ দেওয়া কঠিন

মাছের সরবরাহ ব্যবস্থা অন্যান্য খাদ্যের তুলনায় বেশি জটিল হওয়ায় বাড়তি খরচ সরাসরি ভোক্তার ওপর চাপানো সহজ নয়। ফলে মৎস্যজীবীরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন।

জরুরি সহায়তার দাবি

এই পরিস্থিতিতে জাপানের মৎস্য খাতের সংগঠনগুলো সরকারকে জরুরি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে এই সংকট মোকাবিলা করে টিকে থাকা যায়।