০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

টোকিওর জিম্বোচো—‘কুলেস্ট’ এলাকায় বইপাড়ার নতুন আলো

কেন হঠাৎ আলোচনায়
বইয়ের দোকান, কারি হাউস আর রেট্রো ক্যাফের জন্য পরিচিত টোকিওর জিম্বোচো এবার ‘কুলেস্ট নেইবারহুড’ তালিকার শীর্ষে উঠে বিশ্ব দৃষ্টি কেড়েছে। স্থানীয়রা খুশি হলেও একটু সতর্ক। দোকানিরা বলছেন, তরুণ ক্রেতা বেড়েছে—পুরনো বই ঘাঁটা, ক্লাসিক কাটসু-কারির লাইন। ছোট ব্যবসা আশা করছে প্রকাশনা খাতের মন্দা কিছুটা কাটবে এবং ভাড়া যেন বাড়ানো না হয়। নগর কর্তৃপক্ষ সাপ্তাহিক ছুটির ভিড় সামলাতে সাইনেজ ও ক্রাউড-ম্যানেজমেন্ট ভাবছে; হঠাৎ ভাইরাল হওয়া সরু গলিতে চাপ বাড়াতে পারে।

স্থানীয়দের শর্ত
জিম্বোচোর আকর্ষণ হাতে গড়া—কিউরেটেড তাক, ক্ষুদ্র প্রকাশনা, আর দোকানদার-ক্রেতার আলাপ। বাসিন্দারা চান এমন পর্যটন, যা এ টেক্সচার রক্ষা করে। কেউ কেউ ইংরেজি ইভেন্ট ও মানচিত্র যোগ করছেন, দামও হাতের নাগালে রাখছেন। ইতিহাসবিদরা দেখছেন—জিম্বোচো আবার এশিয়ার ছাত্র-সংগ্রাহকদের মিলনস্থল হতে পারে। ঝুঁকিও আছে: ট্রেন্ডের চাপে চেইন দোকান, সুভেনিরের ভিড়, পুরোনোদের ক্লান্তি। আপাতত এলাকাটি স্পটলাইট উপভোগ করছে—আশা, ইনফ্লুয়েন্সারদের চেয়ে পাঠকরাই বেশি ফিরবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

টোকিওর জিম্বোচো—‘কুলেস্ট’ এলাকায় বইপাড়ার নতুন আলো

০৩:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

কেন হঠাৎ আলোচনায়
বইয়ের দোকান, কারি হাউস আর রেট্রো ক্যাফের জন্য পরিচিত টোকিওর জিম্বোচো এবার ‘কুলেস্ট নেইবারহুড’ তালিকার শীর্ষে উঠে বিশ্ব দৃষ্টি কেড়েছে। স্থানীয়রা খুশি হলেও একটু সতর্ক। দোকানিরা বলছেন, তরুণ ক্রেতা বেড়েছে—পুরনো বই ঘাঁটা, ক্লাসিক কাটসু-কারির লাইন। ছোট ব্যবসা আশা করছে প্রকাশনা খাতের মন্দা কিছুটা কাটবে এবং ভাড়া যেন বাড়ানো না হয়। নগর কর্তৃপক্ষ সাপ্তাহিক ছুটির ভিড় সামলাতে সাইনেজ ও ক্রাউড-ম্যানেজমেন্ট ভাবছে; হঠাৎ ভাইরাল হওয়া সরু গলিতে চাপ বাড়াতে পারে।

স্থানীয়দের শর্ত
জিম্বোচোর আকর্ষণ হাতে গড়া—কিউরেটেড তাক, ক্ষুদ্র প্রকাশনা, আর দোকানদার-ক্রেতার আলাপ। বাসিন্দারা চান এমন পর্যটন, যা এ টেক্সচার রক্ষা করে। কেউ কেউ ইংরেজি ইভেন্ট ও মানচিত্র যোগ করছেন, দামও হাতের নাগালে রাখছেন। ইতিহাসবিদরা দেখছেন—জিম্বোচো আবার এশিয়ার ছাত্র-সংগ্রাহকদের মিলনস্থল হতে পারে। ঝুঁকিও আছে: ট্রেন্ডের চাপে চেইন দোকান, সুভেনিরের ভিড়, পুরোনোদের ক্লান্তি। আপাতত এলাকাটি স্পটলাইট উপভোগ করছে—আশা, ইনফ্লুয়েন্সারদের চেয়ে পাঠকরাই বেশি ফিরবেন।